অপরাধ জগতের মেকার ম্যানের সাথে পরকিয়ার জেরে স্বামীকে অস্ত্র দিয়ে তুলে দেয়ার অভিযোগ শ্বাশুড়ির!

মোঃ শাহেদঃ

অপরাধ জগতের ডনের সুন্দরী স্ত্রী পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে অপরাধ জগতের আরেক মেকারম্যানের সাথে। এ ঘটনা জানাজানি হলে অপরাধ জগতের দুই গ্যাং লিডার এর মধ্যে শুরু হয় প্রভাব বিস্তারের দৌড়। এতে সুন্দরী স্ত্রী কৌশলে পক্ষ নেয় পরকিয়া প্রেমিকের।এক পর্যায়ে স্বামীকে বাবার বাড়িতে দাওয়াত দেয় স্ত্রী।শ্বশুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসে পরকিয়া প্রেমিক মেকার ম্যানের পরিকল্পনায় স্বামীকে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়ে পরকিয়া প্রেমিককে বিয়ে করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে শ্বাশুড়ি।

এতক্ষণ যে ঘটনার অবতারণা ,এ ঘটনার খলনায়ক হল ঈদগাঁও থানাধীন পুরো এলাকার অপরাধ জগতের মেকার ম্যান হিসেবে খ্যাত,যে পুরো প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নির্বিঘ্নে অপরাধীদের অপরাধ সংঘটনে ঠান্ডা মাথায় সব কিছু সামাল দেয়, সে হল অস্ত্রসহ নানা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী ফিরোজ আহমদ।যার বাড়ি পৈত্রিক বাড়ি পোকখালীতে।আর খলনায়িকা হল ঈদগাঁও থানাধীন অপরাধ জগতের আরেক কিং অসংখ্য মামলার আসামী ইসলামাবাদের সাবেক চেয়ারম্যান মনছুর বলির ছেলে মোর্শেদের সুন্দরী স্ত্রী রুনা।ইতিপূর্বে উক্ত রুনা তার রুপের মায়া জালে ফেলে আরো কয়েক স্বামী গ্রহণ করে। প্রয়োজন শেষে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে তাদের ছেড়েও দেয় বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে । এভাবে বহু স্বামী ভোগী স্ত্রী নামের এ ডাইনি রুনা, চতুর্থ স্বামী হিসেবে অপরাধ জগতের মেকার ম্যান ফিরোজকে গ্রহণ করার পর এ সুন্দরী রুনা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। আবার কাকতালীয় ভাবে এ ফিরোজের প্রথম স্ত্রী’র নামও রুনা।যে পোকখালীর বাড়িতে থাকে।তবে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে ফিরোজ থাকে ঈদগাঁও থানার নাকের ডগায় ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড আউলিয়াবাদে শ্বশুর বাড়ির বসত ভিটা সংলগ্ন স্থানে।যেখানে ফিরোজ ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী’র অবৈধ পথে উপার্জিত কোটি টাকায় গড়ে তুলেছে সুরম্য আলিশান বাড়ি।রুনা এ ফিরোজের প্রভাব প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে জড়িয়ে পড়েছে ইয়াবা পাচারসহ নানা অপরাধে। এমনকি দেশের প্রত্যন্ত এলাকার বিশেষ কিছু লোককে তার চতুর্থ স্বামী ফিরোজের দেয়া টিপস অনুযায়ী সুন্দরী রুনা নিজেকে অবিবাহিত তরুণী পরিচয়ে প্রভাবশালীদের বোগল থাবা করে দেশ জুড়ে মাদক সাম্রাজ্য বিস্তার করে চলছে বলেও অভিযোগ এলাকায় প্রচার আছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সুন্দরী রুনা ইতিপূর্বে ইসলামাবাদ খোদাই বাড়ির একজনকে প্রথম স্বামী ,ইসলামপুরের একজনকে দ্বিতীয় স্বামী,ইসলামাবাদের সাবেক চেয়ারম্যান মনসুর বলির ছেলে মোর্শেদকে তৃতীয় এবং সর্বশেষ পোকখালীর সাবেক মেম্বার রমজানের ছেলে ফিরোজকে চতুর্থ স্বামী হিসেবে গ্রহণ করে, ফি‌রোজ ও রুনা তাদের কাজী অফিসে গিয়ে কিংবা কোর্ট ম্যারেজ করে বিয়ে হয়নি শুধুমাত্র নন-জুডিশিয়াল ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করে বিয়ে হয়েছিল যেটা আইনগত বৈধ নয়। এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান,এই অপরাধী ফিরোজ -রুনা দম্পতির বিরুদ্ধে এলাকায় প্রকাশ্যে মুখ খুললে হয়রানিমুলক মামলা- হামলার মুখে পড়তে হবে। তাই জীবনহানি ও নিরাপত্তাহীনতার ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। অপরাধ জগতের এই দম্পতি একই ছাদের নীচে আসার পর থেকে তারা স্ব-নামে-বেনামে এলাকায়,কক্সবাজার শহর ও চট্টগ্রামে কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে বলেও প্রচার আছে।কক্সবাজারে রয়েছে তাদের নামে কোটি টাকা মুল্যের প্লাট বাড়ি।ফিরোজের পৈত্রিক বাড়ি পোকখালীতে গড়ে তুলেছে কোটি টাকা ব্যয়ে সুরক্ষিত বাড়ি এবং অফিস। এ দম্পতি চলা ফেরার সময় তাদের সামনে পেছনে ব্যাক্তিগত নিরাপত্তারক্ষিও থাকে বলে লোকমুখে প্রচার আছে। মোর্শেদের মা রুনার শ্বাশুড়ি আয়েশা বলেন, রুনা ফিরোজ নামের এক লোকের সাথে খারাপ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার তার ছেলেকে তালাক দেয়। তালাক দেয়ার দীর্ঘদিন পরও রুনা মোর্শেদকে তার বাবার বাড়িতে ডেকে নিয়ে দালাল ফিরোজের কথামত মোর্শেদকে অস্ত্র দিয়ে ধরিয়ে দেয়।এরপর রুনা এ ফিরোজকে বিয়ে করে। তার ছেলেকেও ফুসলিয়ে রুনা বিয়ে করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে আরেকজনের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে তাকে ছেড়ে। এর আগে রুনা আরো দুই জনকে বিয়ে করে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে তাদেরও ছেড়ে চলে যায়। আগেও এ সচেতন এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপরোক্ত অভিযোগ তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসতে পারে থলের বিড়াল।এমনকি সম্প্রতি এ দম্পতির নানা অপকর্ম প্রকাশ হলে, তাদের অব্যাহত অপরাধ আড়াল করতে অপরাধ মেকার ম্যান ফিরোজ সুন্দরী স্ত্রী রুনাকে আগামী নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী করতে ইতিমধ্যে নানা কৌশলে এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে । উপরোক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফিরোজের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বার বার মোবাইল কেটে দেন এবং এক পর্যায়ে বিরক্তি প্রকাশ করে উপরোক্ত অভিযোগ অস্বীকার করে, এসব তার ও পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র দাবি করে মোবাইল কেটে দেন।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply