আবরারকে বেশি মারধর করেন অনিক

কালের কণ্ঠ অনলাইন নিউজ:

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে বেশি মারধর করেছেন ছাত্রলীগ নেতা অনিক। ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটি ও প্রত্যক্ষদর্শীর ফোনালাপে জানা গেছে এ তথ্য জানা গেছে।
এ ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটির সদস্য আসিফ তালুকদারের সঙ্গে কথা হয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মোঃ আশিকুল ইসলাম বিটুর। যে ফোনালাপটি পরে ফাঁস হয়।কেমিক্যাল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রবিটু। তিনিআবরারকে নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন বলে জানা যায়।
ফোনালাপেবিটু জানান, শিবির সন্দেহে রাত আটটায় মারধরের শুরু হয়। এই মারধরে যোগ দেন ছাত্রলীগের সকাল, মনির, তানভীর, জেমি, তামিম, সাদাত, রাফিদ, তোহা, অনিকসহ আরো অনেকে।
বিটু বলেন, জেমি আর তানিম আবরারকে ২০১১ নম্বর রুমে নিয়ে আসেন। এবং তার সাথে আমাদের ব্যাচের আরো কিছু ছেলে-পেলে ওই রুমে আসে। আমি পরে বের হয়ে এসে মনিরকে বলি, কি হয়েছে। মনির আমাকে বলে, মারধর একটু বেশি হয়ে গেছে। সেই সময় মনির বলে অনিক বেশি মেরেছে।
ছাত্রলীগের তদন্ত কমিটির সদস্য আসিফ তালুকদার বলেন, ২০১১ সালে রুমে কারা এসেছিলো আমরা বিটুর স্বীকারোক্তি পেয়েছি।
এদের মধ্যে মদ্যপ ছিলো ১৫তম ব্যাচের অনিক। সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে সেই। মামলার তিন নম্বর আসামি অনিককে গ্রেপ্তারকরেছে পুলিশ।
গত রবিবার রাতে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সোমবার ভোরে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় আবরারের নিথর দেহ পাওয়া যায়। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply