একজন রিয়েল হিরো সিনেমাতে এবং বাস্তবে। শেয়ার কদী করে পাশে থাকুন।

“নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে যোগ দিতে পোষ্টটি অবশ্যই আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করুন”একজন রিয়েল হিরো সিনেমাতে এবং বাস্তবে। মানুষটাকে সপোর্ট দেয়াটা এখন দায়িত্ব মনে করছি । উনি যেদিন আবার রাস্তায় দাঁড়াবেন উনার পাশে গিয়ে আমিও দাঁড়াতে চাই । কেউ যদি উনার পরবর্তী কর্মসূচী সম্পর্কে জানেন প্লিজ আমাকে জানাবেন । আমি বিশ্বাস করি আমি, আমরা আমাদের মত লাখ লাখ কোটি কোটি মানুষ এখন এই সত্যিকারের হিরোর সাপোর্টার হয়ে গিয়েছেন ।

উনার মত আমাদের তো আর জীবনের মায়া ত্যাগ করতে হচ্ছে না । শুধুমাত্র পাশে দাঁড়াতে হচ্ছে । উনার পাশে চলেন আমরা আসলেই দাঁড়াই । শুধুই ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে না । সশরীরে উনার ঠিক পাশে । তারপর দেখতে চাই মানুষের জোর বেশি নাকি অমানুষদের জোর বেশি।
‘নিরাপদ সড়ক চাই’ স্লোগান নিয়ে ছুটে বেড়ান দেশের একপ্রাপ্ত থেকে অন্যপ্রান্তে। এরপরই বাংলাদেশের সড়কে ফোরলেন, সড়কে ডিভাইডার তৈরি, মহাসড়ক থেকে নসিমন-করিমন উঠিয়ে নেওয়া, প্রতিবছর নিরাপদ সড়ক দিবস পালন করা- এমন অসংখ্য সাফল্য এসেছে।

ঠিক তেমনি সড়ক পরিবহণ শ্রমিকদের তোপের মুখেও পড়তে হয়েছে এই ‘নিঃস্ব শেরপা’কে। কিন্তু সময়ে-অসময়ে কখনোই নিজেকে রাজপথে থেকে উঠিয়ে নেয়নি। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চেষ্টা করেছেন একটি যুগোপযোগী ও সবার স্বার্থরক্ষাকারী আধুনিক আইন প্রণয়নের জন্য জনমত গড়ে তুলতে। আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে টানা আ’ন্দোলনের পর কাক্ষিত সেই পরিবহণ আইন এখন সড়কে।

যদিও নতুন এই সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনের দাবিতে গত কয়েকদিন বাংলাদেশের বাস-ট্রাক শ্রমিকরা ‘কর্মবিরতি’ পালন করেছেন। আর সেখানে চলচ্চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবিকে হেয় প্রতিপন্ন করার অ’ভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইলিয়াস কাঞ্চনের ছবি সম্বলিত ব্যানার টাঙিয়ে কিংবা কুশপুত্তলিকা তৈরি করে সেখানে জুতার মালা দেয়া হয়েছে।

শ্রমিকদের এসব কর্মকা’ণ্ডে ভীষণ ক’ষ্ট পেয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, “কখনো-কখনো খা’রাপ লাগে। এতোটাই খা’রাপ লাগে যে যাদের জন্য আমি এতো কিছু জলাঞ্জলি দিয়েছি কোন কিছু পাওয়ার আশায় নয়। আমি আমা’র সিনেমা’র ক্যারিয়ার শেষ করেছি নিরাপদ সড়কের জন্য। আমা’র সঞ্চিত অর্থ ব্যয় করেছি”।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply