এমপিওভুক্ত হল ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সিবিএল২৪ :

নতুন করে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করা হলো ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে বহু শিক্ষক-কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো।
প্রধানমন্ত্রী আজ ঘোষণা দিলেও এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে গত জুলাই মাস থেকে। সাড়ে ৯ বছর পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলো।
সর্বশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছিল, এবার ২৭৬৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৬৫০–এর মতো বিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ২৭৩০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির ঘোষণা এলো।

আজ বুধবার গণভবনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা ঘোষণা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

সব যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাদেরকে এমপিওভুক্ত করা হলো তাদের এই যোগ্যতা ধরে রাখতে হবে।’ সবাইকে অভিনন্দন জানান তিনি। এমপিও নামে পরিচিত মান্থলি পে অর্ডার তালিকাভুক্ত হওয়া মানে প্রতিমাসে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা পাওয়া। তবে, এর জন্য এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগ পেতে হবে।
এর আগে গতকাল ২২ অক্টোবর, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তালিকা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া তথ্য ক্রস চেক করা হয়েছে। তালিকাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর পরও কিছু যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আবারও পাঠানো হয়েছে। সব সঠিকতা যাচাই করেই এমপিওভুক্তির ফাইলে প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। তবে একটু দেরি হলেও জুলাই মাস থেকেই এই এমপিওভুক্তি কার্যকর হবে। মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত হওয়াসহ সব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালা অনুযায়ী তাদের মান ধরে রাখতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান এতে ব্যর্থ হলে তাদের এমপিও সাময়িক স্থগিত করা হবে। পুনরায় যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে আবারও এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। এমপিও পেয়ে গেছে ভেবে হাল ছেড়ে দিলে তারা বিপদে পড়বে।
যোগ্য নির্বাচিত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত করা হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, কিছু উপজেলা রয়েছে, যেখান থেকে কোনো আবেদনই পাওয়া যায়নি। আবার নারী শিক্ষা, পাহাড়ি অঞ্চলসহ অনগ্রসর এলাকা বিবেচনা করে নীতিমালা অনুযায়ী কিছু প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। তবে খুবই কম উপজেলা আছে, যেখান থেকে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply