কক্সবাজারের লিংকরোড হাইওয়ে সড়কে দখল বাণিজ্য!

নিজস্ব প্রতিনিধি::
কক্সবাজার সদরের লিংকরোড মহাসড়কে বেপরোয়া গাড়ি পার্কিং যেন থামছে না।প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা। আর এই দূর্ঘটনার জন্য দায়ি সড়কের উপর বেপরোয়া পার্কিং করা সিএনজি গাড়ি। বিগত ১ বছর ধরে তুলাবাগান হাইওয়ে পুলিশ ও কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশে অনেকবার অভিযোগ দিয়েও সুরাহা মেলেনি এই অবৈধ পার্কিং এর ব্যাপারে। মাঝেমধ্যে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ডিউটিতে আসলেও নীরব ভূমিকায় এই অবৈধ পার্কিং এর বিরুদ্ধে। বেশ কয়েকদিন আগে কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশ হতে নো পার্কিং সাইনবোর্ড দেওয়া হয় উক্ত স্থানে। কিন্তু সেই নো পার্কিং সাইনবোর্ডটি গায়েব করে ফেলে সিনজি ড্রাইভারের সংঘবদ্ধ দল।

ফুটপাত দখল করে সিএনজি পার্কিং করায় সাধারন মানুষ চলাচল করে প্রধান সড়ক দিয়ে। এতে প্রতিদিন পথচারীরা পোহাচ্ছে দূর্ভোগ, ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা। প্রতিদিন এই ফুটপাত দিয়ে যাতায়াত করে হাজারো স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী ও পথচারী। তাদের যেন কষ্টের সীমা নেই।
ব্যস্ততম লিংকরোড স্টেশনটি ত্রিমুখী স্টেশন। কক্সবাজার চট্রগ্রাম ও লিংকরোড হতে টেকনাফের যাত্রী উঠানামা করে দিনরাত। চট্রগ্রাম হতে কক্সবাজার মুখী দ্রুত গতির বিভিন্ন গাড়ি থামে স্টেশনে। তারা যেন কোন সময় ঘটাতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

নাম জানাতে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন সচেতন ব্যক্তি জানান, মহাসড়কে অবৈধ পার্কিং করা সিএনজি ড্রাইভার ও সংঘবদ্ধ একটি দল সেখানে দখল বাণিজ্য সৃষ্টি করছে। তারা রাস্তার উপরে স্থায়ী স্টেশন সৃষ্টি করে ফেলেছে। যত্রতত্র পার্কিং এর জন্য লিংকরোডের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে আবার যানজটও সৃষ্টি করেছে। এতে জড়িত আছে স্থানীয় কিছু চাঁদাবাজ যারা সমিতির নাম দিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। সিএনজি ড্রাইভাররা প্রতিদিন অবৈধ পার্কিং এর জন্য চাঁদা দিয়ে থাকেন সংঘবদ্ধ উক্ত চাঁবাজদের এমনটাই দাবি তার। এসব সিএনজি পার্কিং করবে টেকনাফমুখী সড়কে তারা এই মহাসড়কে অবৈধ পার্কিং কেনো করবে তা বোধগম্য নয়।

তিনি আরো জানান, ব্যস্ততম লিংকরোড স্টেশনে কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও নেই সার্জেন্ট। তাই এই মুহূর্তে লিংকরোড স্টেশনে পুলিশ সদস্য বাড়ানোর পাশাপাশি দুইজন অন্তত সার্জেন্ট থাকা জরুরি। এখনি সময় অবৈধ গাড়ি ও অবৈধ পার্কিং এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার। একটু দেরি হলে তারা স্থায়ী স্টেশন বানিয়ে ফেলবে। এতে সড়কে বিচ্ছৃঙ্খলা সৃষ্টি তো হচ্ছেই বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশ টিআই এডমিন আমজাদ বলেন, সড়কে বেপরোয়া সিনজি পার্কিং এর বিষয়টা জানতামনা শিঘ্রী ব্যবস্থা নিবো। লিংকরোড একজন সার্জেন্ট দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এসপি বরাবর একটি লিখিত দরখাস্ত দিলে ভাল হবে। দরখাস্ত দিলে বিষয়টি তিনি দেখবেন এবং ট্রাফিক পুলিশে লোক সংকট বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

Leave a Reply