কক্সবাজার জেলায় ৪৮ কেন্দ্রে জেএসসি ৩৩,৪৭৬, জেডিসিতে ১১,৬২৯ পরীক্ষার্থী

আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সারদেশের ন্যায় কক্সবাজারেও শুর হয়েছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। এবারে জেলায় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে ৪৫ হাজার ১০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জেএসসি’র ৩৩ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ৩৩ হাজার ৪৭৬ জন এবং জেডিসি’র ১৫ কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ১১ হাজার ৬২৯ জন। তবে গত বছরের চেয়ে সদরে ১টি কেন্দ্র কমেছে। ঈদগাও জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রটি এ বছর বাতিল করা হয়েছে। যোগ হয়েছে কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র এবং পেকুয়া শিলখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র।

এদিকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় গত বছর ৩টি বিষয় কমিয়ে ৭টি বিষয় করা হয়। জেএসসিতে ৮৫০ নম্বরের পরিবর্তে ৭টি বিষয়ে মোট ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। অন্যদিকে জেডিসিতে ১১৫০ নম্বরের পরিবর্তে ৯৫০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের বদলে শুধু ‘বাংলা’ (১০০ নম্বর) এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের বদলে শুধু ‘ইংরেজি’ (১০০ নম্বর) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষা সুষ্ঠু এবং পরিচ্ছন্নভাবে গ্রহনের জন্য প্রস্তুত সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রশাসন। নির্বিঘেœ যাতে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে যেতে পারে সে জন্য নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এদিকে জেলা প্রশাসকের শিক্ষা শাখা সুত্রে জানা যায়, এবারে সদর উপজেলায় মোট ৮টি কেন্দ্রে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯৯৯ জন। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ৫০৯ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৪৯০ জন। রামু উপজেলায় মোট ৬টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৯০৫ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ১১৭৫ জন। চকরিয়া উপজেলায় মোট ১০টি কেন্দ্রে ১০ হাজার ৭৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ৮ হাজার ২৮০ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৫০২ জন। পেকুয়া উপজেলায় মোট ৫টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ৩ হাজার এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬৬৭ জন। মহেশখালী উপজেলায় মোট ৬টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৮৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ৪ হাজার ৩৮৩ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৪৪৩ জন। কুতুবদিয়া উপজেলায় মোট ৩টি কেন্দ্রে ২ হাজার ৪১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৭৮৩ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ৬৩২ জন। উখিয়া উপজেলায় মোট ৫টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৬৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ৩ হাজার ৮৩৭ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ৮৩৭ জন। টেকনাফ উপজেলায় মোট ৪টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৬৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিবে। তারমধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৭৭৯ জন এবং জেডিসি পরীক্ষার্থী ৮৮৩ জন।

Loading…
এদিকে জেলায় কেন্দ্র ওয়ারি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হল ( ৩৩ টি কেন্দ্রের ) কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাহ আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ৯২১ জন, ঈদগাও আর্দশ শিক্ষা নিকেতন কেন্দ্রে ৮১৯ জন, কক্সবাজার সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৫৮৫ জন, কক্সবাজার সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ২০৮৭ জন, কক্সবাজার মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০৯৭ জন, রামু উপজেলার রামু খিজারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১১০০ জন, রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭৭২ জন, জোয়ারিয়ানালা এইচ.এম.সাঁচি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫৪৯ জন, গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪৮৪ জন, চকরিয়া সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৬৩২ জন, চকরিয়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৬৫৭ জন, ডুলাহাজারা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০৩৫ জন, ইলিশিয়া জমিলা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬৪৮ জন, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১২৪৭ জন, চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ কেন্দ্রে ১৫১৯ জন, হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫৪২ জন, কুতবদিয়া সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৭১ জন, ধুরুং আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮২৫ জন, কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫৮৭ জন, মহেশখালী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১১৮৮ জন, কালারমারছড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৮৪৯ জন, মাতারবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭০৪ জন, বড় মহেশখালী বালিকা কেন্দ্রে ৬৪২ জন, উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১১৫৯ জন, উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬২৭ জন, কুতুপালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৪৪৩ জন, পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৬০৮ জন, টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে১০৫৭ জন, এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১০২০ জন, আলহাজ্ব আলী আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে৭০২ জন, পেকুয়া জি,এম,সি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ১৩০২ জন ও পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮০৩ জন এবং নবগঠিত কেন্দ্র শিলখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে৮৯৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
২ নভেম্বর বাংলা পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়ে ১১ নভেম্বর বিজ্ঞান পরীক্ষার দিয়ে শেষ হবে এবারের পরীক্ষা।

এবারই টানা পরীক্ষা গ্রহনের কারনে মাত্র ৯ দিনেই জেএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করছে সরকার। কেন্দ্র সচিব ব্যতিত কেউ পরীক্ষার হলে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেনা। পাশাপাশি কোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। নকল প্রতিরোধে পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে সব ধরনের ফটোকপির দোকান বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply