কক্সবাজার লকডাউন; নৌপথে থামছে না লোক আসা-যাওয়ার হিড়িক

সাম্প্রতিক পুরো দেশ কোবিড-১৯ আতঙ্কে করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে কক্সবাজার জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসন। ফলে সড়ক পথে যাত্রীবাহী সব ধরনের পরিবহন বন্ধ রয়েছে।

এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অতি লোভী এলাকার একটি চক্র চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ফিশিং বোর্টে করে লোকজন আনা নেওয়া করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু কক্সবাজার এখনো করোনামুক্ত।

তাই কক্সবাজারবাসীর বুঝা উচিৎ সাগর পথে অবৈধভাবে এসব কাজ না করার দাবি সচেতন মহল। ওইসব বোট কক্সবাজার শহরের ঈদগাও, নুনিয়ারছড়া, মাঝিরঘাট, নাপিতখালী ও চৌফলদন্ডীসহ মহেশখালীর কুতুবজোম, কালারমারছড়া এবং বাকখাঁলী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে লোকজন উঠানামা করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানায়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের নজরদারির দাবী জানাচ্ছেন সচেতন মহল।

এদিকে কক্সবাজার রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এইচ এম নজরুল ইসলাম তাঁর ফেসবুক পেইজে দেয়া স্ট্যাটাসে বলেন, কক্সবাজার লকডাউন ঘোষণা করার পর কক্সবাজার থেকে যাত্রীবাহী সব ধরনের পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে।

এই সুযোগে একটি চক্র চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ফিশিং বোর্টে করে লোকজন আনা নেওয়া করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শহরের নুনিয়ারছড়াসহ বাকখাঁলী নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে এসব লোকজন উঠানামা করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে ট্রলার নিয়ে আসছে নারায়নগঞ্জ থেকে লবণ ব্যবসায়ীরা।

এছাড়া সাম্প্রতিক সবচেয়ে বড় আতঙ্কের বিষয় , নারায়নগঞ্জ থেকে ফেরত শত শত লবণব্যবসায়ী ও শ্রমিক মহেশখালীতে কুতুবদিয়া চ্যানেল হয়ে ধলঘাটা, কালারমারছড়া, কুতুবজোম, বদরখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশ করে এখন দিক-বেদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে।

আর পুলিশ যাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলেছে তারাও এখন রাস্তা-ঘাটে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।

বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সচেতন জনগণ সর্বোপরি প্রশাসনের নজরদারির দাবী জানাচ্ছি।



Leave a Reply