কক্সবাজার শহরের কুখ্যাত ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং লিডার আরিফ গ্রেপ্তার

মো: আব্দুল গফুর :

কক্সবাজার শহরের শীর্ষ ছিনতাইকারী ও কিশোর গ্যাং লিডার আরিফকে অবশেষে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে ছিনতাইকৃত মোবাইলও উদ্ধার করা হয়েছে। আরিফের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের এক মামলায় ২ বছরের সাজাও রয়েছে বলে জানা গেছে। আরিফ শহরের গোলদিঘীর পাড় এলাকার (কবরস্থান পাড়া) মোঃ আলমের পুত্র। গতকাল ১৮ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ইন্সপেক্টর মানস বড়ুয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোলদিঘীর পাড় এলাকা থেকে আরিফকে আটক করে। এদিকে আরিফ আটক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে গোলদিঘীর পাড়, ঘোনারপাড়া, বৈদ্যঘোনাসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তির নি:শ্বাস দেখা দিয়েছে। খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে- কুখ্যাত ছিনতাইকারী আরিফ ছিল পুলিশের তালিকাভুক্ত কক্সবাজার শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী পাহাড়তলীর ত্রাস আলাউদ্দিনের ঘনিষ্ঠ সহচর। ২০১২ সালের ১৮ জানুয়ারি প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আলাউদ্দিন নিহত হলে কুখ্যাত ছিনতাইকারী আরিফ কিছুদিনের জন্য গা ঢাকা দেয়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই সে এলাকায় ফিরে কায়েম করে সন্ত্রাসের রাজত্ব। ছিনতাইয়ের অভিযোগে কয়েকবার জেলে গেলেও জামিনে মুক্ত হয়ে সে বারবার লিপ্ত হত বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় ব্যক্তি অভিযোগের সুরে বলেন, পাহাড়তলীর ত্রাস আলাউদ্দিনের মৃত্যুর পর আরিফের নেতৃত্বে শহরের গোলদিঘীর পাড়, ঘোনারপাড়া, মোহাজের পাড়া, বৈদ্যঘোনা ও বইল্ল্যাপাড়া কেন্দ্রিক একটি ছিনতাইকারী সিন্ডিকেটে গড়ে উঠে। আর এই ছিনতাইকারীদের হাতে এক প্রকারে জিম্মি হয়ে পড়ে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ। প্রায় প্রতিদিন কারো না কারো কাছ থেকে টাকা-পয়সা, মোবাইল বা অন্যন্য মূল্যবান জিনিসপাতি ছিনিয়ে নিয়ে কেটে পড়ত আরিফের নেতৃত্বাধীন ছিনতাইকারীরা।

সচেতন মহলের দাবি আরিফকে রিমান্ডে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বেরিয়ে আসবে তার সহযোগীদের অস্ত্রভান্ডারের ইতিহাস ও অপকর্মের মূল কাহিনী। আরিফের সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন অনেকেই।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply