কোকেন মামলার বিচার ৫ বছর পর শুরু – bdnews24.com

[ad_1]

মঙ্গলবার
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে বাদীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে
শুরু হয় বিচারকাজ।

বাদী
ওসমান গণির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হলেও তা শেষ হয়নি।

চট্টগ্রাম
মহানগর আদালতে পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বাদী আংশিক
সাক্ষি দিয়েছেন। তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়নি। ৩ মার্চ আবার তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে।”

গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে ২০১৫ সালের ৭ জুন চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার আটক করে সিলগালা
করে দেয় শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

বলিভিয়া
থেকে মেসার্স খান জাহান আলী লিমিটেডের নামে আমদানি করা সূর্যমুখী তেলবাহী কনটেইনারটি
জাহাজে তোলা হয় উরুগুয়ের মন্টেভিডিও বন্দর থেকে। সেখান থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে ২০১৫ সালের
১২ মে পৌঁছায় চট্টগ্রাম বন্দরে।

পরে
আদালতের নির্দেশে কন্টেইনার খুলে ১০৭টি ড্রাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। প্রথমে বন্দরের
পরীক্ষায় এসব নমুনায় কিছু না মেলায় ঢাকার বিসিএসআইআর এবং বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে
তরলের নমুনা পুনরায় পরীক্ষা করা হয়। দুই পরীক্ষাগারেই নমুনায় তরল কোকেনের অস্তিত্ব
ধরা পড়ে।

এ ঘটনায়
২০১৫ সালের ২৮ জুন চট্টগ্রামের বন্দর থানায় নূর মোহাম্মদ ও গোলাম মোস্তফা সোহেলকে আসামি
করে মাদক আইনে মামলা করে পুলিশের এসআই ওসমান গণি। পরে আদালত মামলায় চোরাচালানের ধারা
সংযোগের নির্দেশ দেয়।

এরপর
২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন সহকারী কমিশনার মো.
কামরুজ্জামান আটজনের বিরুদ্ধে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন।

এতে
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের মালিক নুর মোহাম্মদকে অব্যাহতির সুপারিশ
করা হয়।

এ কারণে
তদন্তে ত্রুটি আছে উল্লেখ করে আদালত ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর র‌্যাবের একজন অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তা দিয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।

এরপর
২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল অধিকতর তদন্ত শেষে মহানগর হাকিম হারুনুর রশিদের আদালতে সম্পূরক
অভিযোগপত্র জমা দেন র‌্যাব-৭ এর সেসময়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী।

সম্পূরক
অভিযোপত্রে আসামিরা হলেন- খান জাহান আলী লিমিটেডের কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সোহেল,
মালিক নুর মোহাম্মদ, মোস্তফা কামাল, মেহেদী আলম, আরিফুর রহমান, এএফএম আজাদ, সাইফুল
ইসলাম, মোস্তাক আহমেদ, ফজলুর রহমান ও বকুল মিয়া। 

সম্পূরক
অভিযোগপত্র দেওয়া র‌্যাব কর্মকর্তা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
ডটকমকে জানিয়েছিলেন, নূর মোহাম্মদের জ্ঞাতসারে এবং সম্মতিতেই দেশে ও বিদেশে থাকা আসামিরা
পারস্পরিক যোগসাজশে তেলে মিশিয়ে কোকেন আমদানি করেছিল।

“এই
কোকেন তারা বন্দর থেকে ছাড় করানোরও চেষ্টা করেছিল। ছাড়ের পর তেলে মিশ্রিত কোকেন দেশেই
পরিশোধনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন নূর মোহাম্মদ।”

বন্দরে
আটক সেই কন্টেইনারের ১০৭টি ড্রামের মধ্যে ৫৯ ও ৯৬ নম্বর ড্রামে পরীক্ষায় তরল কোকেন
পাওয়া যায়। দুটি ড্রামে ১৮৫ লিটার করে মোট ৩৭০ লিটার তরল কোকেন ছিল।

সবশেষ
আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে র‌্যাব-৭ এর সদর দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
উপস্থিতিতে সেই কোকেন মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।



[ad_2]

Source link

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply