খুরুশকুলের মামুন মসজিদের দান বক্সের টাকা চুরির অভিযোগ

বার্তা পরিবেশক:-

 

কক্সবাজার শহরের পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন খুরুশকুলের ঐতিহ্যবাহী মামুন জামে মসজিদ এর দান বক্সের টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে অত্র মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

এই নিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেছেন খুরুশকুল মামুন মসজিদের পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ মোঃ সলিম উল্লাহ।

৬ জানুয়ারি, শনিবার, দুপুর আনুমানিক ১২ টার সময়,উত্তর মামুন পাড়া মামুন জামে মসজিদের দান বক্সের টাকা চুরির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা অভিযোগের সূত্রে জানা যায়,ঘটনার দিন মামুন মসজিদের পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল্লাহ, তার ভাই রাহমত উল্লাহ সহ আরো অজ্ঞাতনামে ৩/৪ জন মসজিদের গেইটের ও মসজিদের আঙ্গিনায় দুইটি দান বক্স খুলে আনুমানিক ১,৫০,০০০/- টাকা দান বক্স হতে হতে চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে এলাকাবাসীর দেখলে তাদের ধাওয়া করে।
এক পর্যায়ে তারা দানবক্স হইতে চুরিকৃত কিছু টাকা ফেলে পালিয়ে যায়।

 

ফেলে যাওয়া টাকা গুলা স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনের উপস্থিতিতে কক্সবাজার সদর মডেল থানার কাউন্টারে গণনা করে চোরাই যাওয়া উদ্ধারকৃত মোট- ৯৬,২৮০/- পাওয়া যায়।
উদ্ধারকৃত উক্ত টাকা অত্র মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ ও স্থানীয় সামাজিক গণ্যমান্য লোকজন সহ সদর থানায় জমা প্রদান করে।
বাদবাকী সব টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে ।

থানায় অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০১৫ সালে অত্র মসজিদের ২ দুই লক্ষ টাকা চুরি করে আত্মসাৎকৃত টাকা অভিযুক্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল্লাহ তার পিতার মেজবানে ব্যয় করে। উক্ত বিষয়ে ঐসময় স্থানীয়ভাবে অনেক প্রতিবাদ, পোস্টারিং ও তদন্ত কমিটি হয় এবং টাকা আত্মসাতের বিষয় স্বীকার করে। সেই সাথে আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করিলেও অদ্যাবধি মসজিদের উক্ত টাকা ফেরত দেয় নাই।

এই বিষয়ে উক্ত মসজিদ পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ জানান,মোঃ আবদুল্লাহ ও তার ভাই রহমত উল্লাহ সহ আরো কয়েকজন পরস্পর যোগসাজশে দূর্লোভে বশবর্তী হয়ে এই রকম জঘন্য চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। আমি নিরুপায় হয়ে এব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সদর থানা অভিযোগ দায়ের করি।

অন্য দিকে অভিযুক্ত এত মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল্লাহ সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই বিষয়ে সদর মডেল থানার ওসি জানান,কোন টাকা
চুরি হয়নি, কমিটির নিয়ে বিবাদ আছে এখানে।
এক পক্ষ এখানে টাকা প্রস্তুত করে,আর এক পক্ষের লোকজন টাকা পয়সা বস্তা করে থানায় আনে।
দুই পক্ষ কে ঢাকা হচ্ছে, মসজিদের বিষয় উভয় পক্ষকে নিয়ে ফয়সালা করা ব্যবস্থা গ্রহণ করতেছি বলে জানান।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply