গাজীপুরে তালাবন্ধ ঘরে বস্তায় বিভৎস লাশ – bdnews24.com

[ad_1]

মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড
(প্রশিকা মোড়) এলাকায় চান মিয়ার তিন তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে
লাশটি উদ্ধার করা হয়।

সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের পরিদর্শক মো. আমিনুর রহমান খান জানান, ওই
ফ্ল্যাটের শোবার ঘরে তোষকে মুড়ে চটের বস্তায় ভরে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছিল
লাশটি।

“লাশের শরীর ছিল ঝলসানো, গলা অর্ধেকের বেশি কাটা। দেখে মনে হয়েছে ৮
থেকে ১০ দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি পচে যাওয়ায় এবং ঝলসানো থাকায় শনাক্ত
করা মুশকিল হয়ে পড়েছে।”

ভবন মালিক চান মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া জানান, আব্দুল মজিদ নামে এক
ব্যক্তি ও তার স্ত্রী সামিরা মাস খানেক আগে ওই ফ্ল্যাট ভাড়া নেন।  তারা দুজনেই ওই বাসায় থাকতেন।

“গত চার-পাঁচ দিন ধরে তাদের ঘরের দরজা তালাবন্ধ ছিল। ঘরের ভেতর থেকে
তীব্র দুর্গন্ধ আসায় সোমবার বিকালে আমরা মইয়ের সাহায্যে বারান্দা দিয়ে ফ্ল্যাটের
ভেতরে দেখার চেষ্টা করি। পরে আমরা পুলিশে খবর দিই।”

এরপর গাজীপুর থেকে সিআইডি পরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল,
ঢাকা থেকে ক্রাইম সিন ইউনিটের একটি দল এবং র‌্যাব-১-এর একটি দল মঙ্গলবার রাতে
ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ফ্ল্যাটের ভেঙে শোবার ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করে।

ক্রাইম সিন ইউনিটের পরিদর্শক আমিনুর রহমান বলেন, “আমরা লাশের আলামত
সংগ্রহ করেছি। প্রয়োজনে পরে ডিএনএ পরীক্ষার করে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।”

লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম
বলেন, ওই ফ্ল্যাট থেকে তোষক, দুটি চটের বস্তাসহ বিভিন্ন আলামত তারা সংগ্রহ করেছেন।

শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আকতার হোসেন বলেন, বাড়ির লোকজন ভাড়াটে
মজিদ-সামিরার বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেননি। লাশটি মজিদের না অন্য কারও তা এখন
ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া বোঝার উপায় নেই।



[ad_2]

Source link

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply