ঘুষবাণিজ্য ও বেঁচে দেওয়া!!!

ঘুষ দূর্নীতির এই যুগে কিছু পাবলিক মুখে ওসবের বিরোধিতা করলেও বাস্তবে ঘুষ প্রদানের জন্য কি বিচিত্র কৌশল অবলম্বন করে তা জেনে আপনি আকাশ থেকে পড়তে পারেন।দানবক্সের আশপাশে উদ্দ্যশ্যবিহীন ঘুর ঘুর করা, তিনি যেখানে যান সাথে সাথে যাওয়া, এমনকি টয়লেটে গেলেও তার সামনে গিয়ে দাড়িয়ে থাকে!!!এমনকি তার সাথে দেখা না করে গেলে মনে করে তার কাজটি হবে না!! দরকার হলে পুরো দিন অপেক্ষা করে গোপনে হাতে গুঁজে দিয়ে তারপর যাবেন!!! আইনজীবী শত মানা করলে ও শুনবে না।সবার অগোচরে তার ঘুষ প্রদান করা চায় যেকোনোভাবে এই হলো মনোভাব!!!

সিভিল কোর্টের রায় – আদেশ প্রদানের সময় বেশীরভাগ অন্তত ৭০ % ক্ষেত্রে বিচার প্রার্থী স্বশরীরে হাজির থাকেন না। অনেক সময় আদেশ ওপেন কোর্টে হলো কিন্তু পার্টি বাইরে দাড়িয়ে থাকায় শুনলেন না। এর সুযোগ নিচ্ছে দূর্নীতিবাজ কর্মচারী সহ অন্যরা।

কোনো ব্যক্তি ( কর্মচারী বা অন্য যে কেউ) কোর্টের বিচারক মহোদয় কে দিতে হবে বলে আপনার জামিন, নিষেধাজ্ঞা বা রায় এর জন্য টাকা দাবী করলে প্রকাশ্য আদালতে আসীন বিচারককে লিখিতভাবে জানান।
আপনার মর্যাদাপূর্ণ আচরণ ও সচেতনতাই পারে দূর্নীতিবাজদের উচিত শিক্ষা দিতে।

মুহাম্মদ জুনায়েদ
সহঃ জজ, গাইবান্ধা জেলা।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply