জমি চুক্তি নিয়ে ক্ষুব্ধতা থেকে নির্বিচার হত্যা – bdnews24.com

[ad_1]

গুলিবর্ষণকারী ওই সেনা কর্মকর্তার নাম জাক্রাফ্যান থম্মা ও তার বয়স ৩২ বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানী ব্যাংকক থেকে ২৫০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে নাখন রাচসিমা শহরের কাছে সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে সে কর্মরত ছিল বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে জানিয়েছ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

রোববার নাখন রাচসিমার কয়েকটি হাসপাতালে ওই ঘটনায় আহতদের দেখতে গিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “বাড়ি চুক্তি নিয়ে সৃষ্ট ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে।”

ওই সেনা কর্মকর্তার কমান্ডিং অফিসারের এক আত্মীয়ের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব ছিল বলে প্রায়ুথ জানিয়েছেন।

নাখন রাচসিমা শহরের একটি বিপনীবিতানে গিয়ে নির্বিচার গুলিবর্ষণ শুরু করার আগে সেনা কর্মকর্তা থাম্মা যাদের হত্যা করেছিলেন তাদের মধ্যে তার কমান্ডিং বসও ছিলেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে। 

সেকেন্ড এরিয়া কমান্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল থানিয়া কিয়াতসারন জানিয়েছেন, নিজেকে অস্ত্রে সজ্জিত করতে থাম্মা শনিবারের কোনো এক সময় সেনা শিবিরের অস্ত্রাগারে হামলা চালিয়েছিল।

“অস্ত্রাগারের রক্ষীর ওপর হামলা চালায় সে, ওই রক্ষী পরে মারা যায়। সে একটি এইচকে৩৩ বন্দুক ও সে যা করেছে তা করতে প্রয়োজনীয় গুলি ও সরকারি একটি জিপ চুরি করে,” বলেন থানিয়া।

থাইল্যান্ডের গণমাধ্যম থাম্মাকে অব্যর্থ লক্ষ্যভেদী ও বন্দুকের বিষয়ে উৎসাহী ব্যক্তি বলে বর্ণনা করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই অস্ত্র নিয়ে তোলা ছবি পোস্ট করতো সে।

হামলার আগেরদিন থাম্মা তার ফেইসবুক একাউন্টে লোভী মানুষদের নিন্দা করে পোস্ট দিয়েছিল।

“প্রতারণার মাধ্যমে ধনী হওয়া। অন্য লোকদের থেকে সুবিধা নেওয়া। তারা কী ভেবেছে নরকে এই টাকা খরচ করতে পারবে তারা?” থাই ভাষায় লেখা এক পোস্টে সে এমনটিই বলেছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

পরে হামলা চলাকালে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ তার একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন আপডেট দেয় সে।

“সবার জন্যই মৃত্যু অবশ্যাম্ভাবী,”নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের সময় লিখে সে। এর কিছুক্ষণ পর সে আরেক পোস্টে জানায়, তার আঙ্গুলগুলো আড়ষ্ট হয়ে যাচ্ছে আর তার গুলি বন্ধ করা উচিত কিনা এমন প্রশ্ন করে।

এর কয়েক ঘণ্টা পর ফেইসবুক জানায়, সন্দেহভাজন হামলাকারীর একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

শনিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টার দিকে ঘটনার শুরু। ওই সময় হামলাকারী একটি বাড়িতে গিয়ে গুলিবর্ষণ করে দুই জনকে হত্যা করে। এরপর সে সেনা শিবিরের দিকে রওনা দেয়।

সেখানে কমান্ডারকে হত্যা ও এক রক্ষীকে আহত করার পর একটি হামভি গাড়ি নিয়ে নাখন রাচসিমা শহরের কেন্দ্রস্থলে এসে টার্মিনাল ২১ বিপনীবিতানে সামনে নেমে গুলি করতে শুরু করে। তার গুলিতে নিহত অধিকাংশই এই বিপনীবিতানে মারা গেছেন।

এই বিপনীবিতানেই তাকে অবরুদ্ধ করে থাই নিরাপত্তা বাহিনী। অপরদিকে বিপনীবিতানের ভিতরে কয়েকজনকে জিম্মি করে গুলিবর্ষণকারী। এভাবে সারারাত ধরে অচলাবস্থা চলে।

প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রোবাবর সকালে শৃঙ্খলভঙ্গ করে ঘাতকে পরিণত হওয়া এই সৈন্য নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়। 



[ad_2]

Source link

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply