ঝুঁপড়ি থেকে ফ্ল্যাট বাড়ির মালিক

জলবায়ূ উদ্বাস্তু শ্রমজীবী মানুষগুলোর বসতি কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে শ্রমজীবী মানুষগুলো বসতভিটা হারিয়ে এখানে আশ্রয় নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই জলবায়ু উদ্বাস্তু জনগোষ্ঠীর মাথা গোঁজার ঠাই করতে গ্রহণ করেন খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প। গত ২৩ জুলাই এ প্রকল্পের ২০টি পাঁচ তলা ভবন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ভবনগুলোতে ঠাই হয় ৬০০ দরিদ্র পরিবারের।
অনেকটা উপকূলের ঝুঁপড়ি ঘর থেকে দরিদ্র মানুষগুলো বিনামূল্যে ফ্ল্যাট বাড়ির মালিক হলেন। এ প্রকল্পে আরও ১১৭টি পাঁচ তলা ভবন নির্মিত হবে। সেসব ভবনে ঠাই হবে আরও ৪ হাজার পরিবারের অন্তত ২০ হাজার জলবায়ূ উদ্বাস্তর।

বিনামূল্যে ফ্ল্যাট বাড়ির মালিক হওয়ার এমন নজির বিশ্বের কোথাও আছে কি না জানা নেই। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতা ও দয়ায়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রামু ১০ পদাতিক ডিভিশন।

প্রকল্প এলাকা দেখতে অনেকে ছুটছেন সেখানে । কক্সবাজার শহর থেকে সাত কিলোমিটার দূরে বাঁকখালী নদীর তীরে অন্যরকম ‘খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প’ দেখতে বিকাল বেলায় আমিও ঢু মারলাম। ভাগ্যক্রমে সেখানে দেখা কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র শাহিন আকতার পাখির সাথে। তাঁর পেছনে পেছনে শ্রমজীবী নারীদের মিছিল। জনপ্রতিনিধি হলে যা হয়। সন্ধ্যা-রাতে সেখানকার দৃশ্য নাকি আরও সুন্দর।
– আব্দুল কুদ্দুস রানা

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply