টেকনাফের কুখ্যাত ভূমিদস্যু আমান উল্লাহকে ভ্রাম্যমান আদালতের সাজা

আজিজ উল্লাহ, টেকনাফ:

কক্সবাজার ভূমি অধিগ্রহণ (এল,এ) শাখায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত টেকনাফ বাহারছড়া উত্তর শিলখালীর দালাল ও কুখ্যাত ভূমিদস্যু আমান উল্লাহকে ১ মাসের সাজা প্রদান করেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ,মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর বিকাল ৩.০০ টার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাখন চন্দ্র সূত্র ধরের নেতৃত্বে এল,এ শাখায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় সরকারী কর্মচারীকে সরকারী কাজে বাঁধা প্রদান করার অভিযোগ প্রমাণে তাৎক্ষনিকভাবে তাকে সাজা প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন বলে নিশ্চিত করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাখন চন্দ্র সূত্র ধর। আমান উল্লাহ বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শিলখালী এলাকার শফিকুল ইসলামের পুত্র আমান উল্লাহ বলে জানা গেছে।

কুখ্যাত ভূমিদস্যু আমান উল্লাহ

আমান উল্লাহ এলাকায় একটি আতংকের নাম, শুধু জমির দালালি নয় এলাকায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগও পাওয়া গেছে। গোপন সুত্রে জানা গেছে, কুখ্যাত ভূমিদস্যু আমান উল্লাহ জাদুটোনা করে মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। আরো জানা গেছে, ভুঁয়া দলিল দেখিয়ে গরীব ও এতিম মানুষের জায়গা সম্পদ দখল করাই নাকি তার পেশা। অভিযোগ পাওয়া গেছে, একই এলাকার মৃত আহমাদুল হকের ৬০ কড়া জমি কুখ্যাত আমান উল্লাহ পেশীশক্তি দেখিয়ে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে দীর্ঘদিন ধরে। ভূমি দস্যুবৃত্তির পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়েও তার হাতেকড়ি। তাই সে এলাকায় মাদক সম্রাট নামেও পরিচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এলাকার একজন সচেতন ব্যক্তি জানান, আমান উল্লাহ কয়েক বছর আগে সৌদি আরব থেকে খালি হাতে এসে এলাকায় টমটম চালিয়ে কোনমতে সংসার চালাতো , কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই হুট করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যায় কুখ্যাত আমান উল্লাহ। আমান উল্লাহ’র এক মাদক পার্টানার পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মামলা খেয়ে দেশ থেকে পালিয়ে গেলেও প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়া পার্টনারের মাদক ব্যবসার হাল ধরেছিল কুখ্যাত ভূমিদস্যু আমান উল্লাহ।

তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বেরিয়ে আসতে পারে থলের বিড়াল, এমনটায় মনে করছে এলাকার সচেতন মানুষ।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply