টেকনাফ খারাংখালী বাজারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে দোকানদার আহত

টেকনাফ টুডে : হোয়াইক্যংয়ের খারাংখালী বাজারে গভীর রাতে স্পীড ক্যান দিতে দেরী করায় এক দোকানদারকে গুলি করে রক্তাক্ত করেছে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং গুলিবিদ্ধ দোকানদারকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
জানা যায়, ৩০নভেম্বর রাতের প্রথম প্রহরে উপজেলার হোয়াইক্যং খারাংখালী আলী আকবর মেম্বারের রাস্তার মাথা খারাংখালী উত্তর ষ্টেশনের জাফর আলী মার্কেটের মুদি দোকানদার পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার সোলতান আহমদের পুত্র আলমগীর (২৪) দোকানে ছোট ভাই তারেককে শুয়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যাটমিন্টন খেলতে যায়। কিছুক্ষণ পর দোকানে গিয়ে হ্নীলা মৌলভী বাজারের ক্রসফায়ারে নিহত সোলতান আহমদ ওরফে চামড়া বাদশাহর পুত্র সন্ত্রাসী সাদ্দাম হোছন (৩২) ও তার অপর সহযোগী পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার আহমদ কবিরের পুত্র আব্দুর রাজ্জাক, খুইল্যা মিয়ার পুত্র জয়নাল আবেদীন মিলে স্পীডক্যান দেওয়ার জন্য ডাকতে শুরু করে এবং লাথি মারতে থাকে। তখন দোকানে ঘুমিয়ে থাকা আলমগীরের ছোট ভাই তারেক (২০) ঘুমের মধ্যে থাকায় উঠতে একটু দেরী করে। সে উঠে পুলিশ না ডাকাত বুঝতে না পেরে দোকানের নীচ থেকে ২টি স্পীডক্যান বের করে দেওয়ার চেষ্টাকালে সাদ্দামের শোর-চিৎকারে পাশের দোকানে ঘুমিয়ে থাকা তারেকের পিতা সোলতানের ঘুম ভেঙ্গে যায়। সে বের হয়ে সন্ত্রাসী সাদ্দামকে স্বশস্ত্র অবস্থায় দেখে ছেলে তারেককে দোকান খুলে স্পীডক্যান দিতে বলে। দোকান খোলার সাথে সাথে সাদ্দাম দোকানদার তারেককে ধাক্কা দেওয়ার সাথে সাথে গুলিবর্ষণ করে। ভাগ্যক্রমে তারেকের গায়ে লাগেনি। তারেকের পিতা সাদ্দামকে জোর করে ধরে তার নিকটাত্নীয়ের বাড়িতে নেওয়ার চেষ্টা করে।
এই সময় দোকানদার আলমগীর গুলির শব্দ শুনে দ্রুত দোকানে এসে এসব বিষয় জানতে চাইলে সাদ্দাম দোকানদার আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে শরীরের বাম উরুতে গিয়ে লাগে। গুলিবিদ্ধ আলমগীরকে দ্রæত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার জাহেদ হোছাইন জানান,এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনা খুবই দুঃখজনক মন্তব্য করে এর সুবিচার দাবী করেন।
এই ঘটনার খবর পেয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি নাজমুল আলম এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply