তালেবান ইসলাম নয় তবে কি জঙ্গি?

তালেবান ইসলাম নয়, ইসলামের নামে এক বিকৃত ধারা! তালেবান ইসলামের বিপরীতে গিয়ে নিজস্ব এক মতবাদ তৈরি করে তা সবার মাঝে চাপিয়ে দেয়।

তালেবান কেন ইসলাম নয়?
তালেবান কেন জংঙ্গী সংগঠন?

>>> তালেবান ইসলামের নামে ইসলাম শিক্ষিত যুবকদের নিয়ে গঠিত এক সংগঠন। যারা ইসলামী বিষয়ে পড়া লেখা করেছে তাদের ব্রেন ওয়াস করে – ইসলামের বিপরীত ধ্বংসাত্মক ব্যাখ্যা দিয়ে জিহাদের নামে মানুষ হত্যা কে ধর্ম বলে তাদের তৈরি করে ।

যা প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দে আরাফাতের ময়দানে ঘোষনা করেছেন যে,

আল্লাহর প্রতি দায়িত্ব বা হক্কুল্লাহ ও মানবসম্প্রদায়ের প্রতি দায়িত্ব বা হক্কুল ইবাদের মধ্যে সীমারেখা টেনে দেয়া হয়েছিলো। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই ভাষণে সমাজ ও রাষ্ট্রে অরাজকতা, বিদ্রোহ এবং কুপরামর্শ প্রদানকারী শয়তানদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে বলেছেন। এবং মা বোনদের তার নিজ স্বাধীনতা নিরাপত্তা, সম্মান ও অধিকারকে নিশ্চিত করার জন্য ঈমানদারদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো এই ভাষণে। জাহেলী যুগের সকল রক্তের দাবী পরিত্যক্ত করেছেন তথা জিহাদের নামে মানুষ হত্যা করা নিষেধ করেছেন প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ।

কিন্তু এই তালেবান রা কি করছে! প্রিয়নবীর ধারার বিপরীতে গিয়ে ইসলাম প্রতিষ্টার নামে জোর জব্বর ধ্বস্তি মানুষ হত্যা করছে ও সাধারন মানুষদের আতংক করছে যা ইসলামের সম্পূর্ন বিপরীত ।

এ ছাড়া ও তালেবানগন মা বোনদের অধিকার স্বাধীনতা হনন করছে, নিরাপত্তার নামে আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগের মত তাদের বন্ধি করছে । যা সরাসরি ইসলামের বিপরীত তথা ঈমানের বিপরীত ।

বর্তমান বাংলাদেশে, ওহাবি, শিয়া, মদুদিবাদ, তবলিগ এই সব গুলোকে সবাই চিনে যে, ইসলামের নাম ব্যবহার করে কি পরিমানে মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছে । ইসলামের নামে কতটা জংঙ্গীপনা তারা মানুষরা দেখেছেন । প্রকৃত ইসলাম ধ্বংস করে আওলিয়া কেরামের শিক্ষা থেকে মানুষকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে । এই তালেবান ও সেইম তা করছে ।

এমন কি বর্তমানে বাংলাদেশে এইটা ও দেখা যাচ্ছে, যে তালেবানের এই বিজয় বদর ওহুদ খন্দকের সাথেও তুলনা করছে যা সরাসরি কুফরি।

আর বিশেষ করে দেখতে পায়, এই তালেবানদের তারাই সাপোর্ট করছে, যারা অতীতে রগ কাটা এক জংঙ্গী সংগঠনের সাপোর্টে ছিল ।

এ ছাড়া ও বড়ই দুঃখের বিষয়, সুন্নী নামে কিছু মুখোশদারীও এ তালেবানদের সাপোর্ট করছে । যারা না জানে সুন্নীয়তের সংজ্ঞা না জানে ঈমান দ্বীন মানবতার সংজ্ঞা!

তালেবানকে ইসলাম বলা মানে, সৌদি গোষ্ঠিকে ইসলাম বলা , কাপের এজিদকে ইসলাম বলা, মুয়াবিয়াকে ইসলাম বলা । যা একজন মুমিন মুসলমান বলতে পারে না ।

***তালেবান ইসলামের শত্রু। তালেবান ঈমানের শত্রু। তালেবান মানবতার শত্রু। তালেবান জীবনের শত্রু। তালেবান মানে ধর্মের নামেই নাস্তিকতা। ইসলামের আদর্শ বিলীন করতে ধর্মের ছদ্মবেশে যে কয়েকটি দল, সংস্থা কাজ করছে তার মধ্যে তালেবান অন্যতম। তালেবানীদের যে সমর্থন করে সে মুসলিমতো দূরের কথা মানুষও নয়। তালেবানীরা সবার জন্য আতংক। যারা জীবনের জন্য আতংক তারা কখনো জীবনের জন্য নিরাপদ হতে পারেনা। আর জীবনের নিরাপত্তা যাদের কাছে নেয় তারা মুসলিমতো প্রশ্নও আসেনা মানুষও নয়! মানুষের ভিন্নতা, মতের ভিন্নতা, ধর্মের ভিন্নতা, কর্মের ভিন্নতা থাকতে পারে তাই বলে কেউ কাউকে খুন করবে তার কোন বৈধতা ইসলামে নেই যা আমাদের খেলাফত ব্যবস্থা দেখলে বুঝা যায়। খেলাফতের বিপরীত মুয়াবিয়া-এজিদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মুলুকিয়ত ব্যবস্থায় এসব দ্বীন বিরোধী মানবতা বিরোধী কাজ শুরু হয় যার বাস্তবায়ন করছে সৌদি, তালেবান, আল কায়েদা, সালাফী, খারেজী, ওয়াবী, শিয়া, তাবলিগী, হেফাজতি ইত্যাদি ধর্মের ছদ্মনামে ধর্মের বিকৃতি ধারা৷ ইসলামের শত্রু এসব ধারা থেকে ইসলামের পবিত্রতা রুক্ষা করতে, ইসলামের মানবিক রুপরেখা প্রতিষ্ঠিত করতে, সব ধর্মের ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায়, সব মানুষের কল্যাণ সাধনায়, নিরাপদ জীবন ও জগত তৈরি করতে Allama Imam Hayat প্রবর্তিত World humanity revolution এর মাধ্যমে ইসলামের নির্দেশিত ইনসানিয়াতের রাজনীতির ভিত্তিতে ইনসানিয়াতের রাষ্ট্র-বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। এর বিকল্প কেবল ধ্বংস আর আর ধ্বংস।

নিরাপদ জীবন চাই- মানবতার রাষ্ট্র চাই।
সব মানুষ ভাই ভাই- মানবতার দুনিয়া চাই।
সব মানুষ এক মানুষ-এক মানুষ সব মানুষ।
ইনসানিয়াতের রাষ্ট্র-সব মানুষের রাষ্ট্র।
ইনসানিয়াত ছাড়া রাষ্ট্র- সব সৃষ্টির অনিষ্ট।
ধর্মের নামে রাজনীতি-ধর্ম বিণাশী অপরাজনীতি।
জাতীয়তাবাদী রাজনীতি- মানবতা বিণাশী অপরাজনীতি।
গোষ্ঠীবাদী রাজনীতি- মানবতা বিণাশী অপরাজনীতি।

লিখেছেনঃ
Allama Imam Hayat
[The Founder of World sunni movement &
World humanity revolution]

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply