তেলেঙ্গানায় মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ ও পুড়িয়ে হত্যায় চার অভিযুক্তের এনকাউন্টারে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তেলেঙ্গানায় মহিলা পশু চিকিৎসককে ধর্ষণের ঘটনায় নয়া মোড়। আজ শুক্রবার ভোররাতে পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে চার ধর্ষক নবীন, শিবা, কেশবুলু ও মহম্মদ আরিফ। ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবি, অভিযুক্ত ৪ ধর্ষক পুলিশের অস্ত্র কেড়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তার এনকাউন্টারে নিহত হয়।

শাদনগরের যে রাস্তায় ওই চিকিৎসকের অগ্নিদগ্ধ দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানেই এই ঘটনা ঘটে। চারজনই পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছে তেলেঙ্গানা পুলিশ। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য তাদের ওই জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখনই তারা পালানোর চেষ্টা করলে গুলি চালায় পুলিশ।

গত কয়েকদিন ধরেই তেলেঙ্গানা ধর্ষণ-কাণ্ডে উত্তাল গোটা দেশ। অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছিল সব মহল থেকেই। এমনকি তাদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানান জয়া বচ্চন সহ একাধিক সাংসদ।

গত ২৭ নভেম্বর তেলঙ্গানা এক মহিলা পশু ডাক্তারকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে খুন করার আগে ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মদ খাওয়ানো হয়েছিল। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, অভিযুক্তরা হুইস্কির বোতলে কিনেছিল। সেই হুইস্কি কোল্ড ড্রিঙ্কসের সাথে মিশ্রিত করে ওই মহিলা চিকিৎসককে পানীয় খেতে বাধ্য করা হয়। তারপর ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা। পরদিন ২৬ বছরের ওই তরুণী ডাক্তারের আধপোড়া দেহাংশ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সাইবারাবাদ পুলিশ। মহম্মদ আরিফ (২৬), জল্লু শিবা (২০), জল্লু নবীন (২০) এবং চিন্তকুন্ত চেন্নাকেশভুলু (২০) নামে এই চার জনই ট্রাকের কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণ ও ৩৬২ ঝারায় অপহরণের অভিযোগ আনা হয়।

হায়দরাবাদ গণধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে গত সোমবারই দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। কালো ব্যান্ড এবং ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখান অনেকে।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply