দুর্নীতির বিরুদ্ধে অ্যাকশন চলবে : কাদের


বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক.সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন,শেখ হাসিনার অ্যাকশান শুরু হয়ে গেছে তাই সমস্ত টেন্ডারবাজ,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজরা সাবধান হয়ে যান। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ আওয়ামীলীগের হলে তাকে আগে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি ২১ সেপ্টেম্বর বিকালে কক্সবাজার পর্যটন গলফ মাঠে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক বিশাল কর্মী সমাবেশে এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবাইদুল কাদের বলেণ,দেশ এখন উন্নতীর উচ্চ শিখরে অবস্থান করছে তাই এখন সময় এসেছে দেশের মধ্যে আগাছা পরিস্কার উপড়ে ফেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই কাজ শুরু করেছে। দেশের মানুষকে প্রধানমন্ত্রী যে ওয়াদা দিয়েছে সেই ওয়াদা তিনি যে কোন মূল্যের বিনিময়ে রক্ষা করবেন। তাই সবাইকে সাবধান হয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড,সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভা সঞ্চালন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান। এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখের কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পানি সম্পদ উপ মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম,উপ দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া, এতে কক্সবাজারের বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামীলীগ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

অনিয়মকারী যে দলেরই হউক তাকে পাকড়াও করতে শেখ হাসিনার অ্যাকশন শুরু হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সারাদেশে শেখ হাসিনার অ্যাকশন চলবে। এখনো সময় আছে এসবের সাথে জড়িতরা সাবধান হয়ে যান।

শনিবার বিকেলে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারকে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে উস্কে দিচ্ছে বিএনপি। যাতে রোহিঙ্গাদের নিজদেশে ফেরত না নেয়। আমরা ১১ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা আর নিতে পারছি না। দেশের বিরোধীরা নির্বাচনে ও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। বিদেশে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তারা।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনকে ঘিরে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করার জন্য দলের মধ্যে থাকা আগাছা ও পরগাছা পরিস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চার দিকে যেহেতু ষড়যন্ত্রের গন্দ আছে, তাই এদের পরিস্কার করার এখনি সময়। যে কোন দু:সময়ে আওয়ামী লীগের পাশে থাকতে হবে। ওয়ান ইলেভেনে যেভাবে আন্দোলন করেছে আওয়ামী, ঠিক সেভাবে সামনের পথ পাড়ি দিতে হবে। তৃণমূলের কর্মীরাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের শক্তি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিওদের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু কিছু এনজিও রোহিঙ্গাদের বিএনপির মত উস্কে দিচ্ছে। কোন এনজিও যদি মানবিক সেবার আড়ালে সরকারবিরোধী কাজ করে তাদের আমাদের দরকার নেয়। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের মর্যাদা রক্ষার্থে দলের যে কোন নেতাকর্মীদেরকে তার অপরাধের জন্য শাস্তি দেয়া হবে। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। এ লক্ষ্য নিয়ে শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছে। তাই শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী করতে সকল মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন করবে শিগগিরই।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, উপ-দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ জাফর আলমসহ শীর্ষ নেতারা।

ইত্তেফাক/ইউবি

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply