ধলঘাটায় স্লুইস গেটের সমস্যার সমাধান, আনন্দিত এলাকাবাসী এবং চিংড়ি চাষিরা

এম বশির উল্লাহ, মহেশখালী:

ধলঘাটায় স্লুইস গেটের সমস্যার সমাধান, আনন্দিত এলাকাবাসী এবং চিংড়ি চাষিরা

টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত হচ্ছিল ধলঘাটাসহ মহেশখালীর অন্যন্য নিম্ন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো। সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল  ধলঘাটার ৭নং স্লুইস গেট বন্ধ থাকায় কয়েকটা গ্রাম প্লাবিত হওয়া।
২২ জুন সোমবার ধলঘাটা ইউনিয়ন  পরিষদের উদ্যেগে ৭নং স্লুইগেইট ব্যবহারকারী ৫ টি চিংড়ি প্রজেক্ট মালিকদের সাথে নিয়ে,স্থানীয় মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে একটি বৈঠক অনুষ্টিত হয়। কেননা এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ পক্ষ থেকে অভিযোগ ছিল, চিংড়ি চাষীরা স্লুইস গেইট বন্ধ রাখায় বর্ষাকালে টানা বৃষ্টি হলে ই আশপাশের গ্রাম গুলো পানির নিচে ডুবে যায়।

এলাকাবাসী অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  ৪টি চিংড়ি প্রজেক্ট নিয়মনিতি মেনে চিংড়ি চাষ শুরু করলেও স্লুইস গেট সংলগ্ন বনজামিরা ঘোনার হাল ঘোনা নামে পরিচিত চিংড়ি প্রজেক্ট নিয়ে স্থানীয়দের মধ্য বিবেধ ছিল।
গতকাল সোমবার ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যেগে প্রকাশ্যে এই প্রজেক্টের ইজারা দিলে প্রতি খানি ১২ টাকা করে মোহাম্মদ মহসিন প্রধান ইজারাদার  হিসেবে নির্বাচিত হন।মোহাম্মদ মহসিন এই প্রজেক্টের ইজারাদার  হিসাবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জমির মালিকদেরকে  টাকা প্রদান করার জন্য সম্মতি প্রধান করেন।
ধলঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাসান জানান, দীর্ঘদিনের সমস্যা আজকে সবার সম্মতিক্রমে সমাধান হয়েছে, আগামীতে সকল প্রজেক্ট ইজারাদাররা মিলে ৭নং  স্লুই গেটটি ইউনিয়ন  পরিষদের তত্ববধানে রক্ষনাবেক্ষন করবে।  এবং জন দূর্ভোগ হবে এমন কোন কাজ করবেনা বলে ইজারাদারদেরব পক্ষ থেকে জানানো হয়।
এদিকে  সকল চিংড়ি প্রজেক্ট ইজারাদাররা ইউনিয়ন পরিষদের এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ায় এলাকাবাসী  তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply