ধানমন্ডির চাঞ্চল্যকর ডাবল মার্ডার : সন্দেহের তালিকায় নতুন গৃহকর্মী

রাজধানীর ধানমন্ডিতে একই ফ্ল্যাটে গৃহকর্তী আফরোজা বেগম ও গৃহকর্মী দিতিকে হত্যার ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহত আফরোজা ক্রিয়েটিভ গ্রুপের ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি। এ ঘটনায় কাজী মনির উদ্দিনের বডিগার্ড বাচ্চু এবং ভবনের ইলেকট্রিশিয়ান বেলায়েতকে আটক করা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

এদিকে, হত্যার ঘটনায় ওই বাসার নতুন এক গৃহকর্মী জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। হত্যার পর নতুন ওই গৃহকর্মী বাসা থেকে পালিয়ে গেছে।

যে দুটি ঘরে হত্যা করা হয়েছে সেই দুই ঘরের দুইটি আলমারির তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। ডাকাতি না-কি চুরির পর এই হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়েছে এনিয়ে এখনও নিশ্চিত হয়নি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ফ্ল্যাটটি বিজিএমইএ’র পরিচালক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি মনির উদ্দিনের। তিনি টিনটেক নামের একটি গার্মেন্টসের মালিক। ছয়তলা ভবনটির ৫ তলায় এফ-৪ ফ্ল্যাটে এই ঘটনা ঘটেছে। ফ্ল্যাটে মনির উদ্দিনের শাশুড়ি ও গৃহকর্মী থাকতেন। ভবনটিতে মনিরের মালিকানাধীন মোট চারটি ফ্ল্যাট আছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ বলেছেন, ওই গৃহকর্মীকে ধরতে অভিযান চলছে। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তারিমের শ্বশুরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) বাচ্চু ও ওই বাড়ির ইলেকট্রিশিয়ান বেলায়েতকে আটক করা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, বাচ্চুই নতুন গৃহকর্মীকে নিয়ে এসেছিল।

তিনি আরও বলেন, সার্বিক আলামত বিবেচনায় নিয়ে জোড়া খুনের ঘটনায় নতুন গৃহকর্মীকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। সে একাই কাজটি করেছে নাকি তার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল, এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে গৃহকর্মীর ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে। তাকে ধরার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।

এর আগে শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাতে ধানমন্ডির ২৮ নম্বর সড়কের ২১ নম্বর বাসার পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে আফরোজা বেগম ও তার গৃহকর্মী দিতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply