পরিত্যক্ত টয়লেটে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর লাশ – bdnews24.com

[ad_1]

রাত ২টার দিকে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের রাধাবল্লভপুর গ্রামের একটি
পুরাতন টয়লেট থেকে উদ্ধারের পর শনিবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

নিহত হেলাল উদ্দিন (৩৫) উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের রাধাবল্লভপুর
গ্রামের মো. হাসিম উদ্দিনের ছেলে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মোখলেছুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ছয় জনকে আটক
করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে ওসি বলেন, গত ১৮ জানুয়ারি ব্যবসার কাজে উচাখিলা
বাজারে যান হেলাল। ওই দিন হেলাল বাড়ি না ফেরায় সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়েও কোনো
হদিস পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের বিষয়ে গত ২০ জানুয়ারি ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি
করেন নিখোঁজ ব্যবসায়ীর স্ত্রী মাজেদা খাতুন।

“এরপর ২১ জানুয়ারি রাতে মোবাইলফোনে হেলালের বড় ভাই মো. দুলাল মিয়াকে
ফোন করে অজ্ঞাতনামা একজন বলেন, ‘তোর ভাই কি হারানো গেছে? তোর ভাইকে আমরা নিয়ে
গেছি। ফেরত পেতে হলে দুই লাখ টাকা লাগবে।”

“শেষে দুলাল মিয়ার এক লাখ টাকায় রফা হলে, টাকা নিযে
উচাখিলা-লক্ষীগঞ্জ সড়কে যেতে বলা হয়। ওই দিন কিছুদূর গিয়ে ওই নম্বরে কল দিলে তা
বন্ধ পান দুলাল।

“ওই অবস্থায় বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ নম্বরটি উচাখিলা
ইউনিয়নের মঘা গ্রামের নুর ইসলামের থাকায় এভং তার ছেলে আজিজুল তা ব্যবহার করায়
তাদের আটক করে পুলিশ। তবে ঘটনার অন্তত ১৫ দিন আগে ফোনটি হারিয়ে যাওয়ায় এবং তাদের
কাছ থেকে কোনো ধরণের ক্লু না পাওয়ায় স্থানীয় ইউপি সদস্যের জিম্মায় দু’জনকে ছেড়ে দেয়
পুলিশ।

“পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় একই গ্রামের আক্কাস ও আকাশ, কাঞ্চন, ফারুক,
রিপন, খাইরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে সিলেট থেকে উত্তম নামে এক
যুবককে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

পরে মধ্যরাতে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসির নেতৃত্বে উত্তমকে নিয়ে অভিযানে
যায় পুলিশের একটি দল। এ সময় উত্তমের দেওয়া স্বীকারোক্তি মতে রাধাবল্লভপুর গ্রামের
কামরুল ইসলামের বাড়ির পেছনে পরিত্যক্ত এক টয়লেট থেকে হেলাল উদ্দিনের লাশ উদ্ধার
করে পুলিশ।



[ad_2]

Source link

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply