বিয়ের দাবিতে জয়পুরহাটে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

বিবিবার্তা২৪ নিউজ:

নিজস্ব প্রতিনিধি:: টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব দোলন পালের বিরুদ্ধে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সচিবের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের কারনে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় ভোটার হালনাগাতে বিভিন্ন কাগজের অজুহাত দেখিয়ে মোটা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

জানা যায়, টেকনাফ বাহারছড়া  ইউনিয়নের জনসাধারন ভোটার অন্তর্ভুক্তি হওয়ার জন্য অত্র ইউনিয়ন পরিষদ সচিব দোলন পালের কাছে যারা মোটা টাকা নিয়ে গেলে সহজে প্রয়োজনীয় কাজপত্র হাতে পেয়ে যায়। আর যারা দরিদ্র, হতদরিদ্র লোকজন তাদের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাড়িয়ে থাকতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান প্রত্যায়ন পত্র ও ওয়ারিশ সনদ নিতে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত লাইনে থাকা  আবদুল করিম জানান, ইউপি সচিব দোলন পাল যারা মোটা টাকা দিতে পেরেছে তাদেরকে সহজে কাগজ দিয়ে দিচ্ছে। আর আমরা টাকা দিতে পারিনি বলে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পরিষদের সামনে লাইনে দাড়িয়ে রয়েছি। প্রায় সময়ে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন সনদ প্রদান করে আসছিলেন। অনেকের কাছে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা ও অতিরিক্ত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের হয়রানি করা হয়। এছাড়া ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র, মৃত্যুকালীন সনদপত্র, ট্রেড লাইসেন্স, চৌকিদারি ট্যাক্স, বিচার সালিশির নোটিশ ও রায়ের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতেন। ভুক্তভোগীরা একটি ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র চাইলে আইন অনুযায়ী ১৫০ টাকা নেয়ার কথা থাকলেও তিনি নানা অজুহাতে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদে সরকার কর্তৃক উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে ৫০টি সেবা অনলাইনের মাধ্যমে পাওয়ার কথা থাকলেও সচিবের একনায়কতন্ত্রের কারণে সব সেবা অর্থের বিনিময়ে নিতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদে নাম প্রকাশে অনিশ্চুক কয়েকজন ইউপি সদস্যদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ঘটনাটি সত্য। বিভিন্ন অনিয়ম করে চলছেন। এবং অত্র ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে মোটা টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

বাহারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মৌলভী আজিজ উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে এ পর্যন্ত আমার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তারপরও আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

এব্যাপারে বাহারছড়া ইউপি সচিব দোলন পাল জানান, বাহারছড়া ইউনিয়নের লোকজনের সুবিধার জন্য আমি সকাল থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত সেবা দিয়ে যাচ্ছি, টাকা নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা এবং অপপ্রচার।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply