ভারুয়াখালী-খুরুশকূল খেয়াঘাটে পূনরায় ভাড়া বৃদ্ধিঃ হত-দরিদ্ররা বিপাকে

ভারুয়াখালী-খুরুশকূল খেয়াঘাট পারাপারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন শতশত কর্মজীবী নারীপুরুষ, শিক্ষার্থী, হতদরিদ্র, দিনমজুর অনেক বিড়ম্বনা সহ্য করে এই ঘাট দিয়ে পারাপার করে থাকে।
ছোট জলরাশির এই নদীটি দাঁড়ের নৌকা দিয়ে নিমিষেই পারাপার করতে পারাই ৫ টাকা ভাড়ায় যেখানে বেশি সেখানে হঠাৎ করে একবার পার হতে ১০ টাকা, আসতে যেতে মোট ২০ টাকা ভাড়া গুনতে মধ্যবিত্ত ও হত-দরিদ্ররা চরম বিপাকে পড়েছে।
এ খেয়াঘাটটির পারাপারের নির্দিষ্ট স্থান আরো ২০০ মিটার পশ্চিমে ছিল। খেয়াঘাটের মাঝির ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য ঘাটটিকে প্রায় এক যুগ আগে থেকে পূর্ব পাশে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পূর্ব পাশে সরিয়ে নেওয়ার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেও ভারুয়াখালী ও তেতৈয়ার বেঁড়িবাধে প্রায় ৪০০ মিটার অতিরিক্ত রাস্তা প্রচুর কাঁদা মাটি অতিক্রম করে হাটতে হচ্ছে। ভেবে দেখেছেন কি অসুস্থ ব্যক্তি, শিশু, মহিলা, মালামাল নিয়ে কোন ব্যক্তি এই কর্দমাক্ত মাটি পেরিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছা কত কষ্টের?? অথচ পশ্চিম পাশের নির্দিষ্ট স্থানে খেয়া পারাপারের ব্যবস্থা থাকলে ৪০০ মিটার কম হাটা ছাড়াও এক কদম কাঁদা মাটি স্পর্শ করা লাগতোনা।
বর্তমান স্থানে সঠিকভাবে পারাপারের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা না রাখা সত্বেও ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা ভাড়া নেওয়ায় জনমনে চরম ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে। যেকোনো সময় ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে মাঝি ও যাত্রীদের মধ্যে অপ্রতিকার ঘটনা ঘটতে পারে।
জেলা পরিষদের ইজারাধীন একটি খেয়াঘাটে মাঝির ইচ্ছামতো ঘাট সরাবেন ও ভাড়া বৃদ্ধি করবেন দেশে যেন কোন আইনই নেই!!!!
উক্ত ঘাটে ভাড়া কমানো সহ যাবতীয় অনিয়ম দূর করার জন্য ভারুয়াখালী ও খুরুশকূল ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি ও জেলা পরিষদের প্রতি এলাকার সচেতন মানুষ আহবান জানিয়েছেন।

শেফা উদ্দিন
শিক্ষক
মনিরিয়া বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply