মহেশখালীতে অপরিকল্পিত উন্নয়নেই প্রধান সড়কে ধস

মহেশখালীতে অপরিকল্পিত উন্নয়নে

মোঃ শাহজাহান, মহেশখালীঃ গত কয়েকদিনের টানা ভরী বর্ষনে রাস্তা ভেঙ্গে বদরখালি থেকে গোরকঘাটা বাজারের প্রধান সড়কটির যোগাযোগ বন্ধ ছিল। যার কারণে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়ে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ভূমিকায় অস্থায়ী ভাবে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। তবে বর্ষার অনাগত দিন গুলোতে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা রয়েছে বলে জানা যায়। খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, প্রধান সড়কটির কাজ শুরু হওয়ার অল্পদিন পর করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এরই মধ্যে বর্ষা মৌসুমের দিন চলে আসায় নির্মানাধীন সড়কটি হুমকির মুখে পড়ে।

কয়েকদিনের টানা বর্ষনে গোরকঘাটা থেকে হোয়ানক হয়ে চালিয়াতলি বরাবর প্রধান সড়কটির বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। অপরদিকে শাপলাপুর হয়ে যাওয়া অপর প্রধান সড়কটিও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান, সড়ক দুটির উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে বেশিদিন হয়নি। অল্পদিনেই প্রধান সড়ক দুটি আবারো সংস্কার উপযোগী হয়েছে। মুলত পানি চলাচলের টেকসই পরিকল্পনা না নেয়ায় সড়কটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সড়ক দুটির ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে টেকসই গাইডওয়াল নির্মান করলে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যেতো। আর জনসাধারণের যাতায়াতে সুবিধে হতো।

কিন্তু অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবী করেন। কয়েকজন ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মহেশখালীতে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত হওয়ার কারণে শহর থেকে পণ্যদ্রব্যাদি নিয়ে সহজে গাড়ি পাওয়া যায় না। যার জন্য ব্যবসায়ীদের গুনতে হয় দ্বিগুণ ভাড়া। মহেশখালীর সবচেয়ে বেশি প্রচলিত পান, চিংড়ি, লবণ, ব্যবাসায়ীদেরও পড়তে হয় দুর্ভোগে, যার খেসারত দিতে হয় স্থানীয় গরিব চাষিদের।

এ নিয়ে ট্রাক ড্রাইভারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মহেশখালীতে অন্যান্য মৌসুমে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে তা অামাদের জন্য কষ্ট হয়ে যায়। পাহাড়ি ঢল এবং বৃষ্টির পানির কারণে সড়ক ভেঙ্গে যায়, গর্তের সৃষ্টির হয় যার কারণে গাড়ি অাটকে গিয়ে অামাদের কষ্টের সীমা থাকেনা। অনেক সময় গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তাই সে সব অামাদের মাথায় রেখে মহেশখালীতে প্রবেশ করতে হয়।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply