মহেশখালীতে আদালতের নির্দেশেও ফিরে পাচ্ছেনা ১০ স্পীডবোট

উপকূলীয় প্রতিনিধিঃ

মহেশখালীতে আদালতের নির্দেশ স্বত্ত্বেও লুট হওয়া ১০টি স্পীড বোট উদ্ধার করা যাচ্ছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশে বোটগুলো মালিকেরা পাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন আফরোজা সুলতানা ও হুমায়রা আকতার নীলু নামের দুই মহিলা।

তবে মহেশখালী থানার ওসি জানিয়েছেন, বোটগুলোর মালিকানা যাচাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু যাচাই প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় বোটগুলো হস্তান্তর করা যায়নি।
আদালতের দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৭ মে আতাউল্লাহ আফরোজা সুলতানা ও হুমায়রা আকতার নীলুর মালিকানাধীন ১১ স্পীড মহেশখালী ঘাট থেকে গায়েব হয়ে যায়। পরে বাদীরা জানতে পারেন বোটগুলো আতাউল্লাহ বোখারী, মামুনুল ইসলাম, মোর্শেদ, শাহনেওয়াজ মিলে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও বোটগুলো উদ্ধার করা না যাওয়ায় আদালতের দ্বারস্ত হন মালিকেরা। মামলার প্রেক্ষিতে বোটগুলোর বিষয়ে তদন্ত করতে মহেশখালী থানাকে নির্দেশ দেন আদালত। আদালতের নির্দেশে পুলিশ তদন্ত করে বোটগুলো জব্দ করে এবং জব্দ তালিকাসহ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সেই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত ১৬ জুন যাছাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে বোটগুলো হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন আদালত।
বোটের মালিক আফরোজ সুলতানা ও হুমায়রা আকতার অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশ মতে পুলিশ বোটগুলো হস্তান্তর করার জন্য তাদের ডাকেন। সে মোতাবেক তারা যান কিন্তু সেখানে গিয়ে বোট হস্তান্তরে বাঁধা দেন মেয়র। শেষ পর্যন্ত বোটগুলো মালিকদের হস্তান্তর করেনি পুলিশ। বোটের মালিক হুমায়রা আকতার নীলু বলেন, যাচাই করে বিআইডাব্লিওটিএ কর্তৃপক্ষ মালিকানা নিশ্চিত করে তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশের কাছে দিয়েছেন। তার আলোকে পুলিশ হস্তান্তরের জন্য মালিকদের ডেকেছেন। কিন্তু মেয়রের বাঁধার কারণে হস্তান্তর করা হয়নি।

এ বিষয়ে মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল হাই বলেন, আমরা আরো যাচাই করার জন্য বোটগুলো হস্তান্তর করতে পারিনি। দুইদিনের মধ্যে যাচাই করে বোটগুলো হস্তান্তর করবো।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply