মাঝি হীন দ্বীপে মরার উপর খাড়ার ঘা

ডিসি অফিস কর্তৃক মহেশখালী টু কক্সবাজার জনপ্রতি ৭৫ টাকা থেকে ১২০ টাকা (৬জন যাত্রী) স্পীড বোট ভাড়া নির্ধারণ করা হলো। ভাড়া ৬০℅ বৃদ্ধি করলো কিন্তু ইনকাম তো বৃদ্ধি পায়নি অথচ -৭০% আগের স্বাভাবিক ইনকামের তুলনায় কমেছে। একদিকে সমানতালে চাল,তেল সহ অনেকে কিছুর দাম আকাশচুম্বী। করোনার একেকটা সিদ্ধান্ত গরীব ও মধ্যবিত্তের জন্য কৃত্রিম গযব।
কখনো মাথায় লোহা দিয়ে আঘাত দেওয়ার মতো, কখনো বিদ্যুৎ শক দিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার মতো, আবার কখনো আজগুবি নিয়মের গণ্ডিতে মেন্টালি হয়রানি করার মতো।
মহেশখালীতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে খ্যাত কয়লা বিদ্যুতের আগমনে অধিক রহস্যময় হাসির সুখে সাধারণ মানুষের আর্থিক অবস্থা এখন আগের তুলনায় ৩০০% শোকাহত।
এই কিংবদন্তি দ্বীপ মহেশখালীবাসীর আয়ের অন্যতম সোর্সগুলো এখন বিলীনের পথে। এছাড়া লবনের দাম নেই, পানের দাম নেই, পরিবেশে নেগেটিভ প্রভাবের চাপে মাছের প্রজেক্টগুলো এখন অলাভজনক আবার যা আছে সেসবের কাকড়া, চিংড়ি ও অন্যান্য মাছের দাম নেই, প্রকল্পে চলে যাওয়া শেষ সম্বলের ক্ষতিপূরণ পেতে গেলে দিতে হয় %% সাথে মাসের পর মাস হয়রানি। এসব বিভিন্ন কারণে আজকাল সাধারণ মানুষ না খেয়ে কষ্ঠে দিনাযিপাত করছে। কিন্তু রাঘববোয়াল, জনপ্রতিনিধি ও উচ্চ বিত্তরা কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করে অবৈধ টাকার স্তুপে আরামসে ঘুমায় ও মজা নেই। মাঝে মাঝে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে আবার ক্ষুধার্ত কাকদের খাবার দেওয়ার ন্যায় কিছু বিলিয়ে দিয়ে সমাসসেবক ও জনদরদী সহ বিভিন্ন এওয়ার্ডে ভূষিত হয়।
তার উপর মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে ডাবল ভাড়া। চীনের বড় দুঃখ নাকি হোয়াংহো নদী আর মহেশখালীবাসীর বড় দুঃখ ও দুর্ভাগ্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা নেতা। যাদের চোখে কখনো মানুষের দুর্দশা চোখে পড়ে না!!

এরফান হোছাইনের টাইমলাইন থেকে…

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply