মেরিন ড্রাইভ রোডে এক লক্ষ গাছের চারা রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন কর্তৃক জাতির পিতার স্মরণে বিশেষ বৃক্ষরোপন অভিযানের উদ্বোধন করা হয়।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) জিওসি ১০ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার কক্সবাজার এরিয়া মেজর জেনারেল মো: মাঈন উল্লাহ চৌধুরী অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন এবং কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে বেলাভূমিতে বৃক্ষরোপন করেন।
এ সময় রামু সেনানিবাসে কর্মরত ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনাসদস্যরা কক্সবাজার এর মেরিন ড্রাইভে উপস্থিত ছিলেন।
“সবুজ বৃক্ষ নির্মল পরিবেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে কক্সবাজারে অবস্হিত পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সবুজ শ্যামল সৈকতে রূপান্তরিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন কর্তৃক এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বপ্রথম কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতকে সবুজায়ন করার লক্ষে সমুদ্রতীরে ঝাউবাগান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনায় মাননীয় সেনাবাহিনী প্রধানের সার্বিক দিক নির্দেশনায় জিওসি ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মেরিন ড্রাইভের দুপাশে এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

রামু সেনানিবাস সূত্রে জানা যায় যে,জাতির পিতার জন্মশতার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে ও সমুদ্রতীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সেনানিবাস সূত্রে আরও জানা যায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় সেনাবাহিনী প্রধানকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের দুপাশে অধিক পরিমাণে ঝাউগাছ ও অন্যান্য গাছ লাগানোর নির্দেশ প্রদান করেন এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে ১০ পদাতিক ডিভিশন , মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই মহতী উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দিতে চলেছে।
এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে সমুদ্রতটে ১৫০০০ (পনেরো হাজার) ফলজ, ১৫০০০ (পনেরো হাজার) বনজ, ২০০০০ (বিশ হাজার) ওষধি ও ৫০০০০ (পঞ্চাশ হাজার) ঝাউগাছ এর চারা রোপণ করা হবে।
উদ্বোধনের পর ২৫০০ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
পরবর্তী এক মাস এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং আগস্ট মাসের মধ্যে সকল চারা রোপন সম্পন্ন করা হবে।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply