রোহিঙ্গা পতিতাদের সর্দার সাদিয়াকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কক্সবাজার শহরের লালদিঘির পাড় এলাকা ও কলাতলীর জোনের বেশ কয়েকটি হোটেল চলছে রোহিঙ্গা নারীদের রমরমা দেহ বাহিজ্য।

প্রায় ১৭ হোটেলে চলছে এই অ’পকর্ম। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এই অ’বৈধ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি সি’ন্ডিকেট।
তাদের টা’র্গেট থাকে মিয়ানমা’র থেকে আসা উঠিত বয়সের নারী। বিভিন্ন স্থান থেকে আগত খদ্দেরেরও চাহিদা থাকে রোহিঙ্গা নারী। যার অধিকাংশ সাপ্লাই দেয় রোহিঙ্গা নারী সাদিয়া।

এখানের ইয়াবাও সাদিয়ার সরবরাহ করা। জানা যায়, লালদিঘি এলাকা ও কলাতলী জোনে রয়েছে রোহিঙ্গা সাদিয়ার বিচরণ। এই এলাকার হোটেল ম্যানেজারদের সাথে রয়েছে সাদিয়ার দহরম -মহরম স’ম্পর্ক।

নিজে এই পেশায় নাম লিখেয়েছে অনেক আগেই। হোটেলের মধ্যে ই’য়াবা, ম’দ খাওয়া সহ খদ্দেরের মনোরঞ্জনে যা করতে হয় তাই করেছে সাদিয়া।

এখন সে কক্সবাজার নি’ষিদ্ধ জগতের হাইফাই কলগার্ল। প্রথম দেখায় বুঝার উপায় নেই সাদিয়া রোহিঙ্গা। চলনে বলনে বাঙ্গালীয়ানা।
হোটেল কেন্দ্রীক দালালদের সাথেই তার গবীর ভাব। আর এখন চলছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মেয়ে এনে দেওয়ার কাজ। হোটেল গুলোর চাহিদা অনুয়ারী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আনা হয় রোহিঙ্গা নারীদের।
সাদিয়ার নেতৃত্বে একটি দালাল সি’ন্ডিকেট এই কাজে নিয়োজিত রয়েছে। দালাল রাজু রোহিঙ্গা সাদিয়ার প্রধান সহচর। নিয়মিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা এনে লালদিঘি পাড় এলাকার হোটেল ও কলাতলীর জোনের কয়েকটি হোটেল চলছে সাদিয়ার সরবরাহ করা নারী দিয়ে।

রোহিঙ্গা নারীদের টাকার চাহিদা কম থাকায় প্রতিটা চিহ্নিত হোটেলই সাদিয়ার সরববাহকৃত রোহিঙ্গা রমনীতে ভরা। তাই সাদিয়াদের সময় এখন বিচরণ করার। কারন সাদিয়াদের ছাড়া চলেনা হোটেল। সময় এসেছে অ’ভিযানের।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply