শহরের প্রবেশ মুখে অবৈধ বাস পার্কিং : জন দুর্ভোগ চরমে

মোহাম্মদ ফারুক, কক্সবাজার :

কক্সবাজার শহরের প্রবেশমুখে কলাতলী বীচমুখী মহা সড়ক, এবং শহরে প্রবেশমূখী প্রধান সড়ক ওই সড়ক দুটি এখন বেদখল হয়ে বাসস্ট্যান্ডে পরিণত হয়েছে। এই দুটি সড়কের ওপর সার্বক্ষণিক বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানো ও নামানো হচ্ছে এবং খালি বাস গাড়িগুলোও রাস্তার দুই পাশে দাঁড় করিয়ে রাখে। ফলে অন্যান্য যানবাহন এবং জনসাধারণের চলাচলে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

অথচ ওই সড়ক দুটির মাঝখানেই পৌর বাস টার্মিনাল।আর ওইখানেই যাত্রি ওঠার জন্য গাড়িগুলোর নিজস্ব কাউন্টার আছে। এবং নামার জন্য ফাঁকা জায়গা রয়েছে। এমনকি গাড়িগুলো রাখার জন্য মেলা ব্যবস্থা রয়েছে।কিন্তু টার্মিনালে গাড়িগুলো না রেখে রাস্তার দুই পাশে প্রতিনিয়ত রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে দীর্ঘক্ষণ জামজট থাকে বলে জানা যায়।

এছাড়া ওই সড়ক দুটির প্রবেশমূখ জেলা শহরের একমাত্র প্রবেশদ্বার হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যানবাহন এবং পণ্য পরিবহন, ওই সড়ক দুটি দিয়ে যাথায়ত করে । এছাড়া জেলা শহরে আসা যাওয়া করার বিকল্প কোন পথ নেই।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন কক্সবাজার জেলা শাখার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, সড়ক দখল করে বেআইনিভাবে বাসগুলো সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠা এবং নামা এছাড়া রাস্তার দুই পাশে এভাবে গাড়ি রাখা ঠিক না ।এর ফলে যে যানজট হয় এরিই কারণে সাধারণ লোকজন এবং পর্যটকদেরও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

ভুক্তভোগী খরুলিয়া এলাকার বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদ বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়া-আসায় খুবই সমস্যা হয়। যানজট লেগেই থাকে। সার্বক্ষনিক রাস্তায় গাড়িগুলো দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে অনেক সময় ঘন্টার পর ঘন্টা জাম থাকে। এতেই অফিসগামী লোকজন ও শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।

আব্দু সালাম নামে এক পথচারি এলোমেলো বাস দাঁড়িয়ে থাকলে রিকশা নিয়েও চলা যায় না। রাস্তার পাশে যত্রথত্র এসব গাড়ি রেখে রাস্তাটাকে টার্মিনাল বানিয়ে পেলেছে ড্রাইবারেরা। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার।

কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র (২) হেলাল উদ্দিন কবির যানজটের কথা স্বীকার করে বলেন, যানজট নিরসন করার জন্য আমরা সর্বাত্মক শেষ্ঠা করে যাচ্ছি। ওইখানে সমসময় ট্রাফিক পুলিশ থাকে তাঁরা একটু আন্তরিক হলেই আর ওই জামজট থাকবেনা। ওখান থেকে গাড়িগুলো সরিয়ে পেললে পৌরসভার কোন সমস্যা নাই।

এব্যাপারে কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের সহকারি পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বনিককে গত শুক্রবার রাত ৮ টা ৬ মিনিটে ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply