সিনিয়র সাংবাদিক মইনুল আহাসানকে প্রাণনাশের হুমকি, সাধারণ ডায়েরি দায়ের

মো: আব্দুল গফুর:

সিনিয়র সাংবাদিক আবু মোহাম্মদ মইনুল আহসান (হাসান)-কে ঢাকা কদমতলীর গিরিধারার মোহন নামক এক উচ্ছৃঙ্খল যুবক প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত রোববার ০৬/১০/১৯ তারিখ আনুমানিক রাত ১১টার দিকে দায়িত্ব পালন শেষে গিরিধারার বাসায় রওনা হন এবং বাসার কাছাকাছি মানিকের দোকানের সামনে পৌঁছলে কোন ধরনের সিগন্যাল না দিয়ে দ্রুতগতির একটি ট্রাক সাংবাদিক মইনুল আহসান ও দোকানদার জাহিদের উপর পড়ার উপক্রম হয়। এ সময় কোন উপায় না দেখে দু’জনেই মানিকের মুদির দোকানের ভেতর ঝাপিয়ে পড়ে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। ড্রাইভার ট্রাকটি থামালে দোকানদার জাহিদ ড্রাইভারের সাথে কথা কাটাকাটিতে লেগে পড়ে এবং একপর্যায়ে ড্রাইভার তার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে সমস্যা মিটমাট হয়ে যায়। কিন্তু কোত্থেকে মোহন নামক স্থানীয় এক উচ্ছৃঙ্খল যুবক এসে অহেতুক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটান।
দোকানদার জাহিদ যখন মোহনকে বলেন, ‘আজ অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি’ তখন মোহন প্রত্যুত্তরে বলেন, ‘গাড়িটি আমার, মরে গেলেও কিছু যায় আসে না’। ঘটনা যখন উত্তপ্ত হয়ে উঠছিল তখন সাংবাদিক মইনুল আহসান কথা বলতে গেলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরও তার উপর মারমুখী হয়ে তেড়ে আসেন এবং একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করতেও ইতস্ত:ত করেন নি মোহন। এমনকি উচ্চ বাক্যে গালিগালাজের পাশাপাশি সাংবাদিক মইনুল আহাসান ও জাহিদকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন মোহন এবং অতীতে অনেক সাংবাদিককে হজম করেছেন বলেও জানান তিনি। এক পর্যায়ে সাংবাদিক মইনুল আহসানকে হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী মোহন লোহার রড নিয়ে তেড়ে আসলে দোকানদার ও উপস্থিত পথচারিগণের হস্তক্ষেপে সাংবাদিক আহাসান প্রাণে বেঁচে যান।

এ ব্যাপারে কদমতলী থানার সহযোগিতা চাইলে সাথে সাথে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জামাল উদ্দিন মীর ঘটনাস্থলে এএসআই রিসাদের নেতৃত্বে একদল ফোর্স পাঠিয়ে দেন। ঘটনাস্থলে এসে এএসআই রিসাদ দোকানদারসহ এলাকার বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপ করে বিস্তারিত জেনে নেন। পরে তিনি সাংবাদিক মইনুল আহসানকে আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন। তার পরামর্শে সাংবাদিক মইনুল আহসান কদমতলী থানায় গিয়ে সন্ত্রাসী মোহনের নামে গত ০৭/১০/২০১৯ তারিখ দিবাগত রাতে একটি সাধারণ ডায়রি করেন। যার নম্বর:– ৪৭০।

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply