১০ং ও ১৪ নং ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক দুই রোহিঙ্গাকে ভূয়া জাতীয় সনদ প্রদানের অভিযোগ

ফেইসবুক থেকে প্রাপ্ত পার্সপোর্ট কর্মকর্তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলোঃ

“আবেদনকারী পাসপোর্ট করতে এসেছেন। মূল জন্মসনদ আছে, কিন্ত যাচাই করতে যেয়ে চোখচড়কগাছ।

বাবা — মো হোসেন, জাতীয়তা – মিয়ানমার
মা — আমিনা খাতুন জাতীয়তা— মিয়ানমার
এমনকি চেয়ারম্যানরা খালি / নামবিহীন জাতীয়তা সনদ ইস্যু করে। আবার বালামবহি যাচাই করে দেখা গেল সেখানে আবেদনকারীর নাম লিপিবদ্ধ।

প্রশ্ন হলো জনপ্রতিনিধিরা যদি জাতীয়তা মিয়ানমার লিখে দেয় বা খালি কাগজে সনদ দেন তাহলে তাদের প্রত্যয়নের কোন মুল্য থাকে কি? তাহলে পাসপোর্ট অফিসার কী সিদ্ধান্ত নেবে। যাচাইয়ের প্রথম সোপান তো লোকাল জনপ্রতিনিধি তাই না?

এই রোহিঙ্গা পীড়িত জেলায় একটা সামান্য ভুল এক সময় বড় জাতীয় সমস্যা তৈরী করবে বলে মনে করি। তাই তাদের অধিক সচেতন হওয়া জরুরী বলে মনে করি। “

মোঃ ইলিয়াস ব্যক্তিটির পরিচয় জেনেও ১০ নং ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন জিকুর সাক্ষরে তাকে জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে যেখানে তার জাতীয়তা মায়ানমার উল্লেখ করে ।

No photo description available.

উপরোক্ত সার্টিফিকেটের আলোকে আবার রোহিঙ্গা মোঃ ইলিয়াসকে নিমোক্ত সরকারিভাবে নিবন্ধিত জন্ম নিবন্ধনের বইতে তাকে জাতীয়তাঃ বাংলাদেশী হিসেবে উল্লেখ করা হয় এমনকি স্থায়ী ঠিকানাঃ বাপারী পাড়া, ঝিলংজা দেওয়া হয়েছে। যেটা সম্পূর্ণ ভূয়া তথ্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ, কক্সবাজার এর জন্মনিবন্ধন বই নম্বরে মোঃ ইলিয়াস নামে একজন রোহিংগাকে বাংলাদেশী হিসেবে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে যার ব্যাক্তিগত পরিচিতি নং এর শেষ সংখ্যাঃ — ৮৮৫৩ ।

আরেকজন রোহিঙ্গা মোঃ সাকিব উদ্দিন নামে একজন কক্সবাজার পার্সপোর্ট অফিসে পার্সপোর্ট করতে এসে দেখা যায় নিমোক্ত ভূয়া তথ্যটি যেখানে ১৪ নং বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ, কক্সবাজারের চেয়ারম্যান খাইরুল বশর রোহিঙ্গা ব্যাক্তি সাকিবকে বদরখালী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম পুকুরিয়া পাড়ার বাসিন্দা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যেটি সম্পূর্ণ ভূয়া তথ্য ছিলো যদিও সাকিবের আসল জাতীয়তা ছিলো মায়ানমার।

সোর্সঃ আবু নাইম, সহঃ পরিচালক , কক্সবাজার পার্সপোর্ট অফিস

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply