১০ বছরেও শেষ হয়নি রাবিতে শিবিরের হাতে ফারুক হত্যার বিচার

[ad_1]

ফারুকের
দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার দুপুরে রাবি ক্যাম্পাসে এক সমাবেশে ছাত্রলীগ ও
ফারুকের পরিবার এ হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি জানায়।

সংক্ষিপ্ত
ওই সমাবেশে রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, “ফারুকের
মৃত্যুর পরপরই দেশব্যাপী শিবির নিষিদ্ধের দাবি উঠে। জামায়াতের বড় বড় নেতাদের
গ্রেপ্তার করা হয়। যুদ্ধাপরাধীর বিচার দ্রুত সম্পন্ন হয় কিন্তু গত ১০ বছরেও সেই
ফারুক হত্যার বিচারকাজ শেষ হয়নি।

“ফারুক
হত্যার পরপরই তার বোনকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার দপ্তরে একটি চাকরি দেওয়া হয়
কিন্তু সেই চাকরি গত ৭ বছরেও স্থায়ী করা হয়নি।”

ফারুকের
বোন আসমা বেগম বলেন, “১০ বছরেও আমরা আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার পেলাম না। আমি দ্রুত
এ হত্যার বিচার চাই। এমন বিচার চাই, যাতে আর কারও এ রকম হত্যাকাণ্ডের শিকার না হতে
হয়।”

তিনি
আরও বলেন, “আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার দপ্তরে কেন্দ্রীয় পত্র প্রেরণ শাখায়
চাকরি দিয়েছে। কিন্তু সেটা অস্থায়ী। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে এ চাকরি স্থায়ীকরণের
দাবি জানাই।”

সমাবেশে
আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহমেদ
লিমন, রাবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, সহ-সভাপতি কাজী লিংকনসহ
অন্যান্যরা।


সমাবেশের আগে ফারুক হোসেনের স্মৃতি বিজড়িত শাহ্ মখদুম হলের সামনে তার প্রতিকৃতিতে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

২০১০
সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল দখল নিয়ে
শিবির ছাত্রলীগের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এ সংঘর্ষে শিবিরের নেতা-কর্মীরা
ফারুককে খুন করে লাশ শাহ মখদুম হলের পেছনের ম্যানহোলে ফেলে রাখে। একই রাতে
ছাত্রলীগের আরও তিন কর্মীর হাত-পায়ের রগও কেটে দেওয়া হয়। এছাড়া শিবিরের হাতুড়ির
আঘাতে আসাদুর রহমান নামে ছাত্রলীগের আরেক কর্মী অন্ধ হয়ে যান।

ঘটনার
পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে
শিবিরের ৩৫ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও অনেক শিবির
নেতা-কর্মীর নামে নগরের মতিহার থানায় একটি মামলা করেন।

২০১২
সালের ৩০ জুলাই রাজপাড়া থানার তৎকালীন ওসি জিল্লুর রহমান চিফ মেট্রোপলিটন
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফারুক হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এতে
জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন কেন্দ্রীয় আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, রাজশাহী মহানগর
আমির আতাউর রহমান, রাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ, সেক্রেটারি মোবারক
হোসেনসহ ১১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এরপর
গত বছরের ২৫ জুলাই ফারুক হোসেন হত্যা মামলার শুনানিতে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ১০৭
জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। সেদিন সাঈদীকে রাজশাহীর আদালতে হাজির করা হয়েছিল।



[ad_2]

Source link

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply