❝ যদি সত্যি কিছু করতে চান, প্রাথমিক ধাপে কক্সবাজার বয়কট করুন। ❞

সিবিএল২৪ ডেস্কঃ
ছয় মাসের জন্য। কেউ যাবেন না। কেউ না। দেশের কোন পর্যট’ক আগামী কয়েক ছয় মাস কক্সবাজার ভ্রমনে যাবেন না। বিলিভ মি পরিস্থিতির খানিকটা সমাধান হবে।
মায়ের ভালোবাসা ছাড়া পৃথিবীর আর সব কিছুই অর্থনৈতিক।
টাকার ফ্ল বন্ধ করে দিন।কক্সবাজার হোটেল মালিক, রেস্টুরেন্টস ব্যবসায়ী, বিচ তদারকির ইজারাদার, পরিচ্ছন্ন কর্মী, ফটোগ্রাফার, পরিবহন শ্রমিক, কক্সবাজার গামী বাস, বিমান সেক্টর , কক্সবাজারের নেতাখেতা, ওদের প্রশাসন ডিরেক্ট সিদা হয়ে যাবে। করো’নার সময় হাতে পায়ে ধরে ৫০-৭০% ছাড়ে লোক ডেকেছে,একবার পরিবারের নিরাপত্তার ইস্যুতে কক্সবাজার বয়কট করুন।

ছয়টা মাস। কেউ কক্সবাজার যাবেন না।কক্সবাজারের হোটেল মালিক নিজে হারিকেন হাতে দাঁড়িয়ে পর্যট’কদের নিরাপত্তা দিবে।নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে ওদের স্টাফরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে পর্যট’কদের সেফটি নিশ্চিত করবে।

কক্সবাজার প্রশাসনকে ওরা বাধ্য করবে দায়িত্ব পালনের।ঢাকা টু কক্সবাজার গামি বাস, প্লেন মালিক, হোটেল সায়মন, টিউলিপ থেকে শুরু করে বিচের চেয়ার ব্যবসায়ী, ঘোড়ার মালিক, বাটপার ফটোগ্রাফার, কলাতলি লাবনির ছোট ছোট দোকানদার সব পাগল হয়ে যাবে। ওরাই বাধ্য করবে প্রশাসনকে নিরাপত্তার আপনার স্ত্রী’ সন্তান ওদের হোটেল রুমে কিংবা হোটেলের পাশে একশবার রেপড হইলে ওদের কোন বিকার হবে না, কিন্তু এক সিজনে এক লাখ কম পর্যট’ক হইলে ব্যবসায়ীদের পিছনের লাল সুতা বেরিয়ে যাবে।
ব্যর্থ প্রশাসনকে তারাই তখন বাধ্য করবে প্রশাসনিক দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করতে। ওদের পেটের নিজেদের তাগিদে ওরা আপনার নিরাপত্তার নিশ্চিত করবে।
কিন্তু কাজটা এক বা দুইজনের করলে হবে না, দলগত ভাবে সবার সিদ্ধান্তে আসতে হবে – আমা’র পরিবারের নিরাপত্তা সবার আগে। আগে আমা’র নিরাপত্তা নিশ্চিত করো, তারপর আমি তোমা’র স্থানে আসব। এর আগে না।
একবার যদি উদ্যোগটা নেয়া যায় কেবল কক্সবাজার না, অন্যান্য পর্যটন স্পটগুলো একটা সতর্ক বার্তা পেয়ে যাবে। পেটে লাথি পড়লে যত বড় তা’লেবর হোক জিব্বা এক হাত বের করে ক্যোঁৎ ক্যোঁৎ শব্দ করে। পরিবারের সেফটির জন্য ওদের টাকার ফ্লোতে একটা কষে লাথি লাগাতে পারবেন না!

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply