একাধিক মামলার আসামী যখন মেম্বার প্রার্থী; আতংকে স্থানীয় জনগণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :-

রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৭নং ওয়ার্ডে আবারো মেম্বার প্রার্থী হয়েছেন একাধিক মাদক মামলাসহ ডজনখানেক মামলার আসামি বিএনপির সাবেক নেতা, বর্তমানে স্বঘোষিত স্হানীয় আওয়ামী লীগের নেতা, শীর্ষ মাদক কারবারি মোস্তাক আহমদ।

তিনি বর্তমান মেম্বার ও একাধিক মাদক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি। বিগত পাঁচ বছর ধরে নামে মেম্বার হলেও একাধিক মাদক মামলা ও মাদক কারবারের কারণে বেশির ভাগ সময় কারাগারে ও পালিয়ে থাকতে হয়েছে তার।

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে অবৈধ মাদকের কালো টাকায় আবারো মেম্বার হতে মরিয়া হয়ে গেছে চিহ্ন এই মাদক কারবারি। এ নিয়ে খুনিয়াপালং ৭নং ওর্য়াড পূর্ব গোয়ালিয়া এলাকায় চলছে তোলপাড়।
এছাড়া মাদক মামলার জেল কাটা আসামি মোস্তাক আহমদ বর্তমান যুব সমাজকে ধ্বংসের যে পায়তারা করে যাচ্ছে তার মেম্বার প্রার্থী হিসেবে প্রকাশ্যে প্রচারণায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।

জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর কক্সবাজারের বিভিন্ন ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান, মহিলা মেম্বার ও মেম্বার প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা প্রদান হলেও, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই পর্যায়ে রয়েছে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে।

এর মধ্যে রয়েছেন রামুর খুনিয়াপালং ৭নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার ও বিএনপির সাবেক এই নেতার। এই নিয়ে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে চরম। একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি ও একাধিক মামলার আসামি কিভাবে ইউনিয়ন পরিষদের মত এত গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারে?
সেই যদি আবারো মাদকের কালো টাকায় মেম্বার হয় তাহলে যুব সমাজকে মাদকের কালো থাবা থেকে রক্ষা করা কঠিন হবে বলে মনে করেন স্হানীয় ভোটারা।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ভূক্ত চিহ্নিত মাদক কারবারি মোস্তাক মেম্বার নিজের মাদক কারবার পরিচালনা করার জন্য বেশ শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছে ঢাকা চট্টগ্রাম কক্সবাজারসহ সারা দেশে। মাদক নিয়ে একাধিক বার জেল কেটেও সেই জামিনে বের হয়ে আবারো চালিয়ে যাচ্ছে মাদক কারবারি।
যার কালো টাকার বিনিময়ে এইবারও মেম্বার হতে উঠে পড়ে লেগেছে এলাকা জুড়ে।

স্হানীয় ভোটারারা জানান,মোস্তাক মেম্বার গত পাঁচ বছরেও কোন উন্নয়ন করি নাই এলাকায়।নামে মেম্বার হলেও সেই মাদক মামলায় কারাগারে ও কারবার পরিচালনা করার জন্য এলাকার বাহিরে থাকে।
তার কারণে এলাকার যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা মোস্তাক আহমেদের মত মাদক কারবারি ও একাধিক এজাহার ভুক্ত আসামি কে আমাদের জনপ্রতিনিধি বানাতে চাই না।
সরকারের উচিত কোন মাদক কারবারি যাতে নির্বাচনে দাঁড়াতে না পারে,কালো টাকায় সেই নির্বাচিত হলে এলাকার যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

এনিয়ে অভিযুক্ত মেম্বার পদপ্রার্থী মোস্তাক আহমদ একাধিক মাদক মামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আটটি মাদকের মামলা রয়েছে, সব কয়েকটিতে জামিনে আছি।
প্রতিবেদককে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন সেই কোন সময় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো না,বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদকের আসামি কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে যান।

সিবিএল২৪/অন্তরদে

Share the post
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply